বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন

রেকর্ড গড়লেন মোদি

  • সময় শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর বাইরে অন্য দলের বা অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। ভেঙে দিলেন বিজেপির অটল বিহারি বাজপেয়ীর রেকর্ড।

বৃহস্পতিবার মোদির দল বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি কোনও একজন অ-কংগ্রেসি হিসাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার দীর্ঘতম মেয়াদ পূর্ণ করলেন। (অটল বিহারী) বাজপেয়ী জি তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদে ২,২৬৮ দিন ছিলেন। আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই সময়কালকেও ছাড়িয়ে গেলেন।”

২০১৪ সালে মোদির নেতৃত্বেই বিজেপি অন্য বিরোধী দলকে পিছনে ফেলে দিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সেবছরের ২৬ মে প্রথমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দ্বিতীয়বার শপথ নেন ২০১৯ সালের ৩০ মে।

সার্বিক তালিকায় চতুর্থ স্থানে মোদি। প্রথম তিনে যথাক্রমে আছেন জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী এবং মনমোহন সিং। তিনজনই কংগ্রেসের। জওহরলাল নেহরু ভারতের (প্রথম) প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন ১৭ বছর (৬১৩০ দিন)। আর তার মেয়ে ইন্দিরা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ১১ বছরের বেশি (৫৮২৯ দিন)। অন্যদিকে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন মনমোহন সিং।

অকংগ্রেসি অন্য প্রধানমন্ত্রীরা খুব বেশি দিন ক্ষমতায় টিকতে পারেননি। তারা প্রায় সবাই ছিলেন তৃতীয় ফ্রন্টের নেতা যারা শীর্ষ আসন পেয়েছিলেন। সেদিক বিবেচনায় ৩০৩ আসন পেয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপির নরেন্দ্র মোদির সামনে কোন নেতৃত্বের সংকটও নেই।

উল্লেখ্য নয়া দিল্লির শাসনদণ্ড হাতে নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০০১ সাল থেকে টানা ১৩ বছর নিজের রাজ্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

উত্তর গুজরাটের ভাদনগরে জন্মগ্রহণ করা নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি কৈশোরে চা বিক্রি করতেন। কিন্তু সেখানে থেকে জীবনের মোড় ঘুরে গিয়ে বর্তমানে তিনি গোটা ভারতের প্রধানমন্ত্রী, যা অনেকটাই এক রূপকথার গল্পের মতো।

নরেন্দ্র মোদি কৈশোরে অখিল ভারতীয় ছাত্র পরিষদে যোগ দেন যা কিনা বিজেপির আদর্শগত পরামর্শদাতা, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন। পরবর্তীতে সেই আরএসএসই তাঁকে ১৯৮৫ সালে বিজেপির সক্রিয় সদস্য হিসাবে কাজ করার অনুমতি দেয়। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার আগে পর্যন্ত তিনি দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বও সামলে ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: