বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন

এমপি কমলকে নিয়ে বড়াই

উচ্চ শিক্ষিত হাই প্রোফাইল দাবীদার টেকনাফের বদি আলম একজন র্শীষ ইয়াবা কারবারীঃ দৈনিক আলোকিত উখিয়ার সম্পাদককে হুমকি

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ১০৫২ বার পড়া হয়েছে

অভিযুক্ত মাদক কারবারী বদিউল আলম দম্ভোক্তির শুরু বলেন, আমার বিরুদ্ধে নিউজ হলে আমি আইসিটি আইনে মামলা করব। আমার সাথে এমপি কমলের সখ্যতা আছে উনার বাড়ীর বারান্দায় দাড়িয়ে আমার ছবি অপেক্ষা কর ডিজিটাল আইনে মামলা হবে ঢাকায়।

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মাদক মুক্ত দেশ গড়ার দৃড় প্রত্যয় নিয়ে এগুচ্ছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সরকারের সেই স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করতে উঠে পড়ে লেগেছে কয়েক খন্দকার মোস্তাক মার্কা লোকজন। তারা নানা কৌশলে প্রতিনিয়ত মাদক পাচার করে ধ্বংস করছে যুব সমাজ, কামাই করছে কোটি কোটি কালো টাকার সম্পদ, বিশ্বের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করছে উন্নয়নশীল বাংলাদেশকে। শুধু চিহ্নিত মাদক কারবারী নয় মাদকের গন্ধ যুক্ত লেবাসধারীদের খতম করা বর্তমান সময়ের দাবী। এমনটাই আশা দেশের মাদক প্রতিরোধ বিশ্লেষকদের।

কতেক কিছু খুব উচ্চ শিক্ষিত ধর্মীয় শিক্ষায় ধিক্ষিত হাই প্রোফাইল সম্পন্ন লোকদের মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার মীর আহমদের পুত্র বদিউল আলম নিজেকে উচ্চ শিক্ষিত হাই প্রোফাইল সম্পন্ন ব্যাক্তি হিসেবে দাবী করে। ওনার ভাষ্যমতে, তিনি উচ্চ পধস্থ ব্যংক কর্মকর্তা ঢাকায় সপরিবারে বসবাস। উখিয়া টাইফালং মাদ্রাসার সুপার ওনার শাশুর।

অভিযোগ মতে, বদিউল আলম ঢাকায় অবস্থান করে তার অন্যান্য ভাইদের নিয়ে সেন্ডিকেট করে ইয়াবা কারবার চালিয়ে যাচ্ছে দেশ জুড়ে। ভাগ্যদোষে একবার কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে ইয়াব সহ আটক হলেও জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন বলেই তাকে আর ধরতে পারেনি আইনশৃংখলা বাহিনী। যার মামলা নং-০৫ তাং ৩/৩/২০১৫ জিআর-১৯৫/১৫। তিনি কক্সবাজার জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেতেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। বদি আলমের ইয়াবা কারবারের সম্পৃক্ততা প্রমাণ হলে তাকে দল এবং কলেজ থেকে বহিষ্কার করেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ মতে, ইয়াবা কারবারী বদি আলম ধরাছোয়ার বাইরে থাকলেও তার সেন্ডিকেটের সদস্য আপন ভাই মোহাম্মদ আলম বাবুল মাদক অভিযানে পুলিশের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে নিহত হয়। আরেক ভাই জাফর আলম অস্ত্র ও ইয়াবা সহ টেকনাফ পুলিশের হতে একাধিকবার আটক হলেও ফের জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যার মামলা নং- (অস্ত্র) ১৪/২৪০ (ইয়াবা) ১৫/২৪১। এক ভাই জাফর টেকনাফ নিয়ন্ত্রন করছে অন্যভাই বদি আলম ঢাকায় বসে পুরোদেশে পাচার করে দিচ্ছে এই মরন নেশা ইয়াবা। ইয়াবা কারবার করে দুই ভাই কোটি কোটি টাকার অর্থ সম্পদের মালিকও হয়ে গেছে বলে জানান প্রতক্ষ্যদর্শীরা। বদি আলমের শশুরবাড়ী উখিয়া থাইপালং মাদ্রাসা সংলগ্ন তৈরী করা হচ্ছে বহুতল বভন।

এইব্যাপারে হোয়াইক্ষ্যং আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুন সিকদার জানান, বদি আলম একজন র্শীষ ইয়াবা কারবারী সে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বিধায় তাকে ধরতে পারছিনা। সে খুবেই খারাপ চরিত্রের লোক এলাকায় থাকতে সে করেনাই এমন কোন অপকর্ম নেই মানুষের ঘরে গরু পর্যন্ত রাখতে পারেনি। তারা তিন ভাই মিলে চুরি করত। সে যেখানে আছে খোজে বের করে আইনের আওতায় আনার সুপারশি করছি।

এই ব্যাপারে টেকনাফ থানা কার্যালয় থেকে জানান, মাদক মুক্ত করতে যা যা করা দররকার আমরা অবশ্যই করবো। মাদক কারবারী যতই হাই প্রোফাইল সম্পন্ন লোক হোকনা কেন ছাড় পাবেনা। পাতাল থেকে খুজে বের করা হবে।

পুলিশ সুপার কার্য়ালয় থেকে জানান, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বা্ংলাদেশ মাদক মুক্ত ঘোষনা করা হবে এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা। কোথায় কোথায় মাদক কারবারীরা লুকিয়ে আছে আপনারা তার খবর প্রচার করুন। ১৬ ডিসেম্বরের পর থেকে মাদক কারবারীদের নিয়ে কোন সংবাদ আর করতে হবেনা বলে আমরা আশা করছি।

অভিযুক্ত মাদক কারবারী বদিউল আলম দম্ভোক্তির শুরু বলেন, আমার বিরুদ্ধে নিউজ হলে আমি আইসিটি আইনে মামলা করব। আমার সাথে এমপি কমলের সখ্যতা আছে উনার বাড়ীর বারান্দায় দাড়িয়ে আমার ছবি অপেক্ষা কর ডিজিটাল আইনে মামলা হবে ঢাকায়। কিন্তু এমপি কমলকে ফোনে সংযুক্ত না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: