বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

রংপুর সরকারি ঔষুধ পাঁচারের সময় সিভিল সার্জনের পিয়নসহ গ্রেফতার ৭

  • সময় মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

রবিউল ইসলাম ব্যুরো রংপুর।

মঙ্গলবার দেড়টায় মাহিগঞ্জ থানায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান আরপিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২০ জুলাই) দেওয়ানটুলি থেকে আব্দুর রহমানকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষধসহ গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যে মাহিগঞ্জ থেকে ফার্মেসি মালিক হাশেম ও কমল এবং রঘুবাজার থেকে ধীরেন ও দীপালকে পুলিশ গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিনামূল্যের সরকারি ওষধ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও একই দিনে নিউ জুম্মাপাড়া থেকে রংপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পিয়ন এবং চোরাচালান চক্রের অন্যতম হোতা সাহের জামানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পীরগাছার পাঠক শিকড় গ্রাম থেকে চক্রের আরেক হোতা খন্দকার আব্দুস সালামকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারদের কাছ থেকে ২৮ প্রকারের প্রায় দুই লক্ষ টাকার বিনামূল্যের সরকারি ওষধ উদ্ধার করা হয়েছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সন্ধান করা হচ্ছে। একই সাথে গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- সহাকারি পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) মো. ফারুক আহমেদ, মাহিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আখতারুজ্জামান প্রধান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহ্ আলম সরদার প্রমুখ।
বিনামূল্যের সরকারি ঔষুধ পাচার ও চোরাকারবারি চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)। এদের মধ্যে একজন রংপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অফিস সহকারি (পিয়ন), দুইজন চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতা এবং বাকি চারজন ফার্মেসির মালিক। তাদের কাছ থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকার বিপুল পরিমাণ জীবন রক্ষাকারী সরকারি ওষধ উদ্ধার হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন রংপুর মেডিকেল হাসপাতালের- সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পিয়ন সাহের জামান (৫৩), পীরগাছা উপজেলার পাঠক শিকড় গ্রামের খন্দকার আব্দুস সালাম (৫৫), নগরীর মাহিগঞ্জ দেওয়ানটুনি গ্রামের আব্দুর রহমান (৪৫), মাহিগঞ্জের হাশেম রেজা (৪২), কমল চন্দ্র রায় (৪১), বকচি গ্রামের ধীরেন চন্দ্র বর্মন (৩৪) ও দীপাল চন্দ্র বর্মন (৩০)।
চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রতিষ্ঠান থেকে দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে বিনামূল্যে বিতরণের সরকারি ঔষুধ সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত। এই চক্রের সাথে অসাধু ও দালাল প্রকৃতির লোক যুক্ত হয়ে সরকারি মূল্যবান ঔষুধ বিভিন্ন ফার্মেসিতে সরবরাহ করত। তাদের যেনো কঠিন শাস্তি হয় এমটি বলছেন, গরীব অসহায় মানুষেরা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: