বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

পোকখালী ফরাজী ঘোনার মালিক পক্ষ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে দিনের পর দিন

  • সময় বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

আলা উদ্দিন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার।

কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তর্গত ২ নং পোকখালী ইউনিয়নের আওতাধীন ৪ নং ওয়ার্ডের বাঁশখালী পাড়া ও অন্য ওয়ার্ডের হাজার হাজার ঘরবাড়ি ও ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার কারণে পোকখালী ফরাজী ঘোনা চিংড়ি প্রজেক্ট এর উপ মালিকানাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদেরকে রাস্তা কেটে পানি ঢুকানোর জন্য অনুমতি দিয়েছে তখন প্রতিবেদককে প্রতি উত্তরে জানতে চাইলে লিখিত অনুমতি আছে কিনা তখন তারা বলেন তবে লিখিত দেওয়া হয়নি বলে বায়োজিদ মুঠোফোনে জানান, ফরাজী ঘোনা চিংড়ি প্রজেক্ট কারীরা অতিলাভবান হওয়ার জন্য হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে দিয়ে তারা এই কাজ করে যাচ্ছে দিনের পর পর দিন। পোকখালীর ৩ নং ওয়ার্ডের জিয়াউর রহমান, ও জালালাবাদ ৫ নং ওয়ার্ডের বায়োজিদ কিছু অসাধু নেতাকর্মীদের নাম ভাঙ্গিয়ে তারা রাতের বেলা গায়ের জোরে প্রভাব খাটিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিছু নেতাকর্মীদেরকে ঢালপালা হিসেবে ব্যাবহার করে তারা এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, এলাকার কেউ মুখ খুললে হুমকি, দুমকি, ও হামলা, মামলার ভয় ভীতি প্রদর্শন করে যাচ্ছে দিনের পর দিন, পোকখালী ইউনিয়নের S5 পানি ব্যবস্থাপনার ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির লোকজন তারা নিজ উদ্যোগে বাঁধ রক্ষা করলে পুনরায় তারা রাতের বেলা আবার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাস্তা কেটে ফরাজী ঘোনাতে পানি ঢুকানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দলের সভাপতি সাহেদ ও সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন জানান, যদি এই সময়ে এই রকম জঘন্য কাজ থেকে যদি রক্ষা করা না হয় তাহলে হাজার হাজার স্কুল, কলেজ পড়ুয়া ও হাজার হাজার সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার কারণে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সাধারণ জনগণ। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার আব্দু রশিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে জানান আমাকে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ঘটনা স্থলে গিয়ে তাদেরকে নিষেধ করে দেওয়ার জন্য বলেছে এবং আমি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনা স্থলে গিয়ে তাদেরকে নিষেধ করে আছি, যদি তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুনরায় বাঁধ রক্ষা না করে তাহলে অপরাধী যেই হোক না কেন তাদের জন্য যথাসময়ে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিসার। যার কারণে পুলিশ প্রশাসন ও কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছেন এলাকার হাজার হাজার সাধারণ জনগণ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: