শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

ইয়াবা কারবারী আজম মিজা‌নের দ‌ম্ভো‌ক্তিঃ আমরা পু‌লি‌শের কাছ থে‌কে মাল (ইয়াবা) নি‌য়ে ব্যবসা ক‌রি পার‌লে ঠেকাও!

  • সময় রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ৯৬৬ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন ৪

কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকার মাদক মামলার আসামী ছিন্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী আজম ও মিজানের দম্ভোক্তি, পুলিশের কাছ থেকে মাল ( ইয়াবা) নিয়ে বিক্রি করি কে কি করতে পারবে ! পারলে ঠেকাও !

অভিযোগের সুত্রমতে, কক্সবাজার সদরের পূর্ব লার পাড়ার এয়ার মোহাম্মদ ও রোকেয়া বেগমের পুত্র মিজানুর রহমান ও মোহাম্মদ আজম চিহ্নিত মাদক কারবারী। ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর পুর্ব লারপাড়া আব্দুল করিমের পানের দোকানের সামনে থেকে এয়ার মোহাম্মদ ও রোকেয়া বেগমের পুত্র মোহাম্মদ আজম ১ হাজার ইয়াবা সহ কক্সবাজার সদর থানার পুলিশের হাতে আাটক হয়। যার মামলা নং ৩০/৯৬০। অন্যদিকে এয়ার মোহাম্মদ ও রোকেয়া বেগমের আরেকপুত্র মিজানুর রহমান ২০১৮ সালে ৮ মে লার পাড়া মসজিদের পার্শ্ব থেকে জালালের দোকানের সামনে থেকে ২০ পিস ইয়াবা সহ কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে আটক হয়। যার মামলা নং৬০/৩৭৪।

সুত্রমতে, তারা পারিবারিক ভাবে জমজমাট ইয়াবা কারবার করে আসছে র্দীঘ দিন ধরে। শুরুর দিকে তারা খুচরা কারবারী হলে ও বর্তমানে নামকরা ইয়াবার ডিলার আজম ও মিজান দুই ভাই।

সিমান্ত উপজেলা টেকনাফ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে এবং আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স দাবীদার আজম প্রাশাসন ম্যানেজ করে বলে গোফন সুত্রে জানাযায়।

এলাকাবাসীর মতে, তাদের পিতা ইয়ার মোহাম্মদ বিগত ৭-৮ বছর আগে পড়া-মহল্লায় কেরোসিন তেল সাপ্লাই দিতো, ভ্যান চালিয়ে সংসার চলাতো। তাদের ঘরের মধ্যে ছোট একটি মুদির দোকান ছিলো যা তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা দেখাশোনা করতো। পরবর্তীতে বাড়ির কাছে গলিতে টমটম গাড়ির একটি খুচরা পার্টসের দোকান দেয়।

ছেলে আজম ও মিজান প্রথমে টার্মিনালে গাড়ি পরিস্কারের কাজ করলেও এখন তাদের বিলাস বহুল জীবন যাপন! নিত্যনতুন মডেলের মোটর সাইকেল! কিন্তু তাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই!

এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা জানান, লাহার পাড়ায় চিহ্নিত কিছু ইয়াবা পরিবারের কারণে পুরো লার পাড়া ইয়াবা পাড়া হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে, যা এলাকাবাসীর জন্য খুবই লজ্জা এবং উদ্বেগের বিষয়। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে যুবসমাজকে ইয়াবার ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা দুরূহ হয়ে পড়বে। এই ব্যপারে ইয়াবা কারবারী মিজান দম্ভোক্তির সুরে বলে নিউজ করে কোন লাভ নেই পুলিশ আমার পকেটে! পুলিশের কাছ থেকে মাল ( ইয়াবা) নিয়ে বিক্রি করি কে কি করবে! এই ব্যাপারে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয় সুত্রে জানান, মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে আমাদের কোন আপোষ নেই সেই যেই হোক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: