শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

কক্সবাজার বাস টার্মিনাল পিতা মাতা পুত্রের রমরমা মাদকের কারবারঃ র‌্যাবের নজরদারী জরুরী

  • সময় সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
  • ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ প্রতিবেদন-৩

কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় পিতা মাতা পুত্রের রমরমা ইয়াবা কারবার রক্ষার্থে পিতা মাতার আহাজারী, ছেলে আমাদের নির্দুষ। অথচ তাদের দু পুত্র মাদক মামলার আসামী।

অভিযোগের সুত্রমতে, কক্সবাজার সদরের পূর্ব লার পাড়ার এয়ার মোহাম্মদ ও রোকেয়া বেগমের পুত্র মিজানুর রহমান ও মোহাম্মদ আজম চিহ্নিত মাদক কারবারী। ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর পুর্ব লারপাড়া আব্দুল করিমের পানের দোকানের সামনে থেকে এয়ার মোহাম্মদ ও রোকেয়া বেগমের পুত্র মোহাম্মদ আজম ১ হাজার ইয়াবা সহ কক্সবাজার সদর থানার পুলিশের হাতে আাটক হয়। যার মামলা নং ৩০/৯৬০। অন্যদিকে এয়ার মোহাম্মদ ও রোকেয়া বেগমের আরেকপুত্র মিজানুর রহমান ২০১৮ সালে ৮ মে লার পাড়া মসজিদের পার্শ্ব থেকে জালালের দোকানের সামনে থেকে ২০ পিস ইয়াবা সহ কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে আটক হয়। যার মামলা নং৬০/৩৭৪।

সুত্রমতে, পিতা মাতার সহযোগীতায় দু পুত্র জমজমাট ইয়াবা কারবার করে আসছে র্দীঘ দিন ধরে। শুরুর দিকে তারা খুচরা কারবারী হলে ও বর্তমানে নামকরা ইয়াবার ডিলার এই পিতা মাতা পুত্র সেন্ডিকেট।

পিতা ইয়ার মোহাম্মদ বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে পুত্র মিজানের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে এবং আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্স দাবীদার আজম প্রাশাসন ম্যানেজ করে বলে গোফন সুত্রে জানাযায়। এবং মাতা রোকেয়া বেগম পান দোকানের দোহায় দিয়ে খুচরা ও পাইকারী ইয়াবা কারবার করে বলের এলাকাবাসীর ধারনা।

এলাকাবাসীর মতে, ইয়ার মোহাম্মদ বিগত ৭-৮ বছর আগে পড়া-মহল্লায় কেরোসিন তেল সাপ্লাই দিতো, ভ্যান চালিয়ে সংসার চলাতো। তাদের ঘরের মধ্যে ছোট একটি মুদির দোকান ছিলো যা তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা দেখাশোনা করতো। পরবর্তীতে বাড়ির কাছে গলিতে টমটম গাড়ির একটি খুচরা পার্টসের দোকান দেয়।

ছেলে আজম ও মিজান প্রথমে টার্মিনালে গাড়ি পরিস্কারের কাজ করলেও এখন তাদের বিলাস বহুল জীবন যাপন! নিত্যনতুন মডেলের মোটর সাইকেল! বাবা ইয়ার মোহাম্মদ বর্তমানে লাখোপতি। ইয়ার মোহাম্মদের বাস টার্মিনালে বড় টমটম পার্টসের দোকান থাকলেও ছেলেদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই।

এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা জানান, লাহার পাড়ায় চিহ্নিত কিছু ইয়াবা পরিবারের কারণে পুরো লার পাড়া ইয়াবা পাড়া হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে, যা এলাকাবাসীর জন্য খুবই লজ্জা এবং উদ্বেগের বিষয়। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে যুবসমাজকে ইয়াবার ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা দুরূহ হয়ে পড়বে। এই ব্যপারে ইয়াবা কারবারী মিজান দম্ভোক্তির সুরে বলে নিউজ করে কোন লাভ নেই পুলিশ আমার পকেটে! এই ব্যাপারে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয় সুত্রে জানান, মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে আমাদের কোন আপোষ নেই সেই যেই হোক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: