সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

করোনাকালেও থামছে না ইয়ার মোহাম্মদ ও তার ছেলেদের ইয়াবা বাণিজ্য

  • সময় শনিবার, ২০ জুন, ২০২০
  • ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক::

দেশ জুড়ে মহামারী কভিড ১৯ করোনা ভাইরাসের সংক্রামনে সয়লাব। প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একযোগে কাজ করছে করোনা মোকাবিলায়। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করছে সরকারের দায়িত্বশীলরা। এরই মধ্যে করোনার সাথে যুক্ত হয়েছে বন্যার ভয়াবহতা।

যেখানে মানুষ উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে সেখানে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকার চিত্র ভিন্ন। সদরের পূর্ব লাহার পাড়ার ইয়ার মোহাম্মদ ও তার ছেলেরা ব্যস্ত ইয়াবা কারবারে। প্রশাসন করোনা মোকাবিলায় কাজ করতে গিয়ে মাদক নির্মূল অভিযানে কিছুটা শিথিলতা এনেছে। এই সুযোগে মাদক ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে, পুরোদমে চলছে ইয়াবার রমরমা কারবার।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়, বাসটার্মিনালস্থ পূর্ব লাহার পাড়ার ইয়ার মোহাম্মদ, তাঁর ছেলে আজম ও মিজান ইয়াবার নামকরা ডিলার। শুরুর দিকে তাঁরা খুচরা ইয়াবা বিক্রি করলেও এখন পাইকারি লটে বিক্রি করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার একজন সমাজসেবক বলেন, ইয়ার মোহাম্মদ এর ছেলে আজমকে ইদানিং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করতেও দেখা যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে লাল মোহাম্মদের মতো ইয়ার মোহাম্মদ পুলিশের হাতে আটক হলেও তাঁকে থানা হাজত পর্যন্ত দৌঁড়াতে হয়না, তার আগেই মুক্তি পেয়ে যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ইয়ার মোহাম্মদ বিগত ৭-৮ বছর আগে পড়া-মহল্লায় কেরোসিন তেল সাপ্লাই দিতো, ভ্যান চালিয়ে সংসার চলাতো। তাদের ঘরের মধ্যে ছোট একটি মুদির দোকান ছিলো যা তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা দেখাশোনা করতো। পরবর্তীতে বাড়ির কাছে গলিতে টমটম গাড়ির একটি খুচরা পার্সের দোকান দেয়।

ছেলে আজম ও মিজান প্রথমে টার্মিনালে গাড়ি পরিস্কারের কাজ করলেও এখন তাদের বিলাস বহুল জীবন যাপন! নিত্যনতুন মডেলের মোটর সাইকেল! বাবা ইয়ার মোহাম্মদ বর্তমানে লাখোপতি। ইয়ার মোহাম্মদের বাস টার্মিনালে বড় টমটম পার্টসের দোকান থাকলেও ছেলেদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা নেই।

এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা জানান, লাহার পাড়ায় চিহ্নিত কিছু ইয়াবা পরিবারের কারণে পুরো লাহার পাড়া ইয়াবা পাড়া হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে, যা এলাকাবাসীর জন্য খুবই লজ্জা এবং উদ্বেগের বিষয়। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে যুবসমাজকে ইয়াবার ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা দুরূহ হয়ে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: