রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

রান্না করা গরুর পায়ার ভেতরে ইয়াবা বহন করতেন খরুলিয়ার মালেক!

  • সময় মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০
  • ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত রিপোর্ট::

প্রবাসে কিংবা দেশে সর্বদাই মাদকে বুদ থাকে খরুলিয়ার কুখ্যাত মাদক সেবী আব্দুল মালেক। বিদেশি মদ বিয়ার ছাড়াও সেবন করে ইয়াবা। মাদক ক্রয় বিক্রয়ের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকায় বিভিন্ন কৌশলে সে ইয়াবা পাচার করে বলে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার পরিবারের অনেকেই এধরণের তথ্য দিচ্ছেন। কিন্তু সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় নাম প্রকাশ করতে চাইছেন না।

জানা যায়- মালেক খুব ঘন ঘন সৌদি থেকে দেশে এবং দেশ থেকে সৌদিতে আসা যাওয়া করে। বিদেশে তার উপার্জনের মতো উল্লেখযোগ্য কিছু না থাকলেও চলনে বলনে রাজকীয় হালত চোখে পড়ার মতোই। কিছুদিন পর পর সে সৌদি থেকে দেশে যাতায়াত করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়- সে মুলত দেশ থেকে সৌদিতে ইয়াবা পাচারের কাজ করে। বিশেষ করে বড় বড় টিফিন ক্যারিয়াতে করে কিংবা রান্না করা গরুর পায়ার ভেতরে ইয়াবা ঢুকিয়ে পাচার করে। এভাবেই সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারীকে অনায়সে এড়িয়ে যায়।

খরুলিয়ার নয়াপাড়া সৌদি প্রবাসী বশির আহমদের পুত্র আব্দুল মালেক ইয়াবা, মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মাদক সেবনের সুবাদে নিজেও মাদক বিক্রি করে থাকেন। বিশেষ করে ইয়াবা বিক্রি করে সে বিদেশি পানীয় মদ সেবন করে। মাদক বিক্রির কথা স্বীকার না করলেও সেবনের কথাটি অকপটে স্বীকার করে সে নিজেই। জানতে চাওয়া হলে, দম্ভোক্তি সহকারে বলেন- এটা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু এটা সেবন করতে গিয়ে প্রতিবেশিদের সাথে খারাপ আচরণ করছেন এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করিয়ে দেওয়া হলে তিনি দাবী করেন- এসব ষড়যন্ত্র করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়- নিয়মিত মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে এখানেও ঘরে বসেই সীমিত পরিসরে মাদক বেচাকেনা করে সে। তবে এমন অভিযোগের সত্যতা স্থানীয় ভাবে জন মানুষের মুখ থেকে পাওয়া গেলেও থানায় এধরণের কোনো অভিযোগ নেই। তার আচরণে অতিষ্ট এলাকাবাসীদের অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য দেন। তার মাদক সেবন ও এলাকাবাসীর সাথে মদ্যপ অবস্থায় খারাপ ব্যবহার করার বেশ কয়েকটি ভিডিও চিত্র আলোকিত উখিয়ার হাতে রয়েছে।

এছাড়াও বছরখানে পূর্বে মালেকের আপন ছোটো ভাই আব্দুল মান্নান চট্টগ্রামে বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ আটক হয়।

এলাকাবাসী জানান- মালেক একদিকে যেমন মাদকসেবী অন্যদিকে সীমিতপরিসরে ইয়াবা ব্যবসায়ীও। একারণে সে মোটাদাগে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে মালেক তত বেপরোয়া হচ্ছে। প্রতিবেশিদের সাথে খারাপ আচরণ করছে। তাকে এখনই থামানো উচিত বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল। এছাড়াও তার ইয়াবা পাচারের কৌশল নিয়েও গোয়েন্দা সংস্থাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: