শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০৫:২২ অপরাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

জুনেও এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ, জোর করলেই লাইসেন্স বাতিল

  • সময় মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

প্রা’ণঘাতী করো’না ভাই’রাস পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবে না- সরকারের এমন নির্দেশনা ছিল। কিন্তু অফিস-আ’দালত সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার পর কিস্তি আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করে এনজিওগুলোও।

এ অবস্থায় চলতি জুন মাসেও রাজশাহীতে কিস্তি আদায় করতে পারবে না ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওগুলো। ঋণের কিস্তি আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন রাজশাহীর জে’লা প্রশাসক (ডিসি) মো. হামিদুল হক।

গতকাল রবিবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলেছে অফিস-আ’দালত। ঘরব’ন্দি লোকজনও নেমেছেন কাজে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোও প্রস্তুতি নিচ্ছে কিস্তি আদায়ের। কোথাও কোথাও কিস্তি আদায়ে ঋণ

গ্রহীতাদের চাপ দেয়ারও অ’ভিযোগ আসছে।

এরই প্রেক্ষিতে আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জে’লা প্রশাসক মো. হামিদুল হক লিখেছেন, ‘এনজিও থেকে গৃহীত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনো ঋণগ্রহীতাকে ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না।

জানতে চাইলে জে’লা প্রশাসক হামিদুল হক বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় করা যাবে না। এ নিয়ে রেগুলেটরি অথরিটির নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কিস্তি আদায়ের প্রমাণ পেলে আইন ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কেউ স্বেচ্ছায় কিস্তি দিতে চাইলে সেক্ষেত্রে আ’পত্তি নেই।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির মনিটরিং সেলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা মুহাম্ম’দ শহিদুল ইস’লাম বলেন, কোথাও জো’র করে ঋণ আদায় করা হলে এনজিওর ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে আমাদের। প্রয়োজনে সেটাই করব আম’রা।

তিনি বলেন, রাজশাহী থেকে দু’একটি অ’ভিযোগ পেয়েছি; জো’র করে ঋণ আদায় করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তা বন্ধ করেছি। বার বার সতর্ক করার পরও ঋণ আদায় করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: