রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

বিত্র ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে ফার্মের মুরগীর দাম বেসামাল

  • সময় শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

নুরুল বশর উখিয়া।

শুক্রবার পালংখালী বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুই দিনের ব্যবধানে সব ধরনেও মুরগির দাম কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা করে বেড়েছে; মাসের ব্যবধানে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে বলেও বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

পালংখালী বাজারের মুরগির দোকানগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ২৫০ টাকায় এবং পাকিস্তানি কর্ক মুরগি ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, গত এক মাস ধরে মুরগির দাম বাড়তি। একটু একটু করে বেড়ে এখন সব ধরনের মুরগির দামই ৬০ থেকে ৭০ টাকা বেড়েছে।

গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪ টাকা বাড়ার পর চলতি সপ্তাহেও আরও দুই টাকা বেড়েছে। বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ টাকা।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে চীনা রসুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা হওয়ার পর তা আবার কমেছে। খুচরায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে রসুন।

পালংখালী পেঁয়াজ বিক্রিতা মোস্তাক করোনা লক ডাউন কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে সমস্যা তাই বলেন, জেলার মোকামগুলোতে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। তাই ধীরে ধীরে পালংখালীতে দাম বাড়ছে।

পালংখালী ইউনিয়ন নেতা শাহাদাত হোসেন জুয়েল বলেন , সরবরাহ ঘাটতির কারণে কোনো পণ্যের দাম ১০/২০টাকার বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া ব্যবসা বাণিজ্যের স্বাভাবিক ঘটনা। তবে কেউ যদি মজুতদারি করে বা বাজারে একক আধিপত্য সৃষ্টি করে তা হবে অপরাধ।

“কিছুদিন আগে প্রায় এক সপ্তাহের ছুটি ভোগ করেছে দেশ। তখন আমদানি ঘাটতির কারণে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছিল। আশা করি এটা ঠিক হয়ে যাবে।”

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে উৎপাদনকারী, আড়তদার, পাইকারদের মধ্যে কোনো গোষ্ঠী যাতে কারসাজি করতে না পারে সেজন্য সরকারি নজরদারি চালু করার দাবি জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত শাক সবজি উৎপাদন হলেও সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় দামে ভারসাম্য থাকে না।

“মওসুমে কৃষকরা আলু, টমেটো বিক্রি করতে না পেরে রাস্তায় ফেলে দেন। আবার মওসুম শেষে এসব পণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। এজন্য আমরা বার বার সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালুর কথা বলছি। ”

বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে শাক সবজির দামও স্থিতিশীল আছে।

এদিন পালংখালী বাজারে পটল ৫০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে।

এদিকে বেসামাল হয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ একদিকে লক ডাউন বলে দাম হাঁকিয়ে নিচ্ছেন স্টোর গুলো ইন্ডিয়ান কাপড়ের অন্য দিকে নিত্যপ্রয়োজন এর দাম হয়তো এবার ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে দাম হাঁকিয়ে নিচ্ছেন এবিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ রইলো।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: