শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০৬:১১ অপরাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

আঘাতে পর একটু দুর্বল’ আম্পান, খুলনা-যশোর হয়ে যাবে জামালপুর

  • সময় বুধবার, ২০ মে, ২০২০
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ আরও উত্তর-উত্তরপূর্বে দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অঞ্চল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলার তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, স্থলভাগে আঘাত হানার পর ঘূর্ণিঝড়টি একটু দুর্বল হয়েছে বলে আমরা খবর পাচ্ছি। এখন উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রবল বাতাস ও বৃষ্টি হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার; যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এ ছাড়াও সাগর উত্তাল থাকবে।

ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে এসে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যাবে এমন মন্তব্য করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি সাগরদ্বীপের উপকূল ধরে সাতক্ষীরা হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এটি খুলনা, যশোর, মাগুরা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও জামালপুরের উপর দিয়ে চলে যাবে। এবং ক্রমশ দুর্বল একটি অংশ সিলেটে প্রবেশ করার আশঙ্কা রয়েছে। সতর্ক সংকেত

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর সমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের সংকেতের আওতায় থাকবে।
ঘূর্ণিঝড়জনিত জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড় ও দ্বিতীয় পক্ষের চাঁদের সময়ের শেষ দিনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং এসব এলাকার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলাসমূহ এবং এদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: