বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

চীনের ল্যাবেই তৈরি জৈব অস্ত্র করোনা, প্রথম আক্রান্ত হন বিজ্ঞানীরা’ দাবি ব্রিটেনের

  • সময় রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে পুরো বিশ্ব। এ ভাইরাসের সংক্রমণ চীনের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইরান। এবার তিন দেশের দাবির সঙ্গে সুর মেলালো ব্রিটেন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজে করোনা আক্রান্ত হয়ে হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন জরুরিকালীন কমিটি ‘কোবরা’ চীনের গবেষণাগার থেকে জীবাণু ছড়ানোর তত্ত্ব আবারো সামনে নিয়ে এসেছে। ব্রিটেনের সংবাদপত্র ডেইলি মেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোবরা কমিশনের এক সদস্য জানান, উহানের গবেষণাগারে যে এই জীবাণু তৈরি হয়েছিল, সেই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে ডেইলি মেইল ২০১৮ সালে চীনের সংবাদপত্র পিপলস ডেইলি চায়নার একটি প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরেছেন। যেখানে বলা হয়েছিল, ‘চীনের ভাইরোলজি ইন্সটিটিউট ইবোলার চেয়ে ভয়ংকর এক জীবাণু নিয়ে গবেষণা করছে। মজাদার বিষয় হল, ৩০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে বানানো ওই প্রতিষ্ঠানটি বণ্যপ্রাণী বাজার থেকে মাত্র দশ মাইল দূরে রয়েছে।’ আবার অসমর্থিত সূত্রের খবর, মারণ জীবাণুতে প্রথম আক্রান্ত হয়েছিলেন ইউহানের ওই পরীক্ষাগারের বিজ্ঞানীরা। পরে বাইরে ছড়িয়ে পড়ে।

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রিটেনের চীনা রাষ্ট্রদূত জেং রংয়ের বলেছেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিশ্বের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিয়ে চীন চিন্তিত। তাদের স্বার্থে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছে। চীন বিশ্বের সমস্ত দেশকে এই মহামারি মোকাবেলায় সাহায্য করছে। কিন্তু সেই চেষ্টাকে অপমান করা হল। চীনেই যদি এই ভাইরাস তৈরি হত, তাহলে সেখানে এত মানুষকে মরতে হত না।

এর আগে করোনাকে জৈব অস্ত্র দাবি করে বক্তব্য রেখেছিলেন ইসরায়েলি ও মার্কিন বিজ্ঞানীরা। ‘জেনেটিক্যালি মডিফায়েড’ এই করোনাভাইরাসের জন্মদাতা চীনের উহানের বায়োসেফটি ল্যাবোরেটরি লেভেল ফোর বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন আইনজীবী ও রাসায়নিক মারণাস্ত্র বিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য ড. ফ্রান্সিস বয়েল। বলেছিলেন শক্তিশালী রাসায়নিক মারণাস্ত্র করোনাভাইরাস, ছড়িয়েছে উহানের ল্যাব থেকেই।

করোনাভাইরাসকে রাসায়নিক মারণাস্ত্র দাবি করেছিলেন মার্কিন সিনেটর টম কটনও। তিনি বলেন, চীন জীবাণুযুদ্ধের জন্য বানাচ্ছিল ওই ভাইরাস। এখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কথাটা লুকোতে চাইছেন। কারণ আন্তর্জাতিক আইনে জীবাণুযুদ্ধ নিষিদ্ধ। তারা ওই নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

সূত্র-ডেইলি মেইল।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: