মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন

হে নারী! তোমাকে বলছি শোন

  • সময় রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

মাওঃ হাফেজ শরীফুল ইসলাম::
হে নারী! তোমাকে বলছি শোন, আধুনিকতার নামে আধুনিক চাপাবাজদের ধোকায় পড়ে নিজের ইজ্জত, ঈমান নষ্ট করে জাহান্নামের লাকড়ি হইও না, তুমিই সম্মানিত কারো মা,কারো আদরের বোন,কারো আদরের কলিজার টুকরো মেয়ে ইত্যাদি। দুষ্ট পুরুষের কথায় নিজেকে উন্মুক্ত করো না!এরা দয়ার নবী, বিশ্ব নবী রহমাতুল্লিল আলামীন হতে বেশি দয়াবান নয়। এরা তোমাকে উন্মুক্ত করে বিনোদন নিতে চায়। এরা দুষ্ট পাপিষ্ঠ শয়তানের দল। সূরা নাস তার প্রমাণ। দেখো, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন! নারীরা তাদের পোশাকের কারণে জাহান্নামী হবে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামের অধিবাসী, যাদেরকে আমি এখনো দেখিনি। (অর্থাৎ তারা ভবিষ্যতে মুসলমানদের মাঝে আসবে।) প্রথম শ্রেণীঃ (অত্যাচারীর দল) যাদের সঙ্গে থাকবে গরুর লেজের মত চাবুক, যদ্দারা তারা মানুষদেরকে প্রহার করবে। দ্বিতীয় শ্রেণীঃ (ফাহেশা নারী) – তারা হচ্ছে সেই নারীদল, যারা কাপড় তো পরিধান করবে, কিন্তু কাপড়ে পড়েও বস্তুতঃ তারা উলঙ্গ থাকবে, যারা পুরুষদেরকে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও পর পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট থাকবে। যাদের মস্তক (চুল খোপা বেঁধে) উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিটুকুও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধি এত এত দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে। (সহীহ মুসলিমঃ ২১২৮) নোটঃ কাপড় পড়েও উলংগ,হচ্ছে সেই সমস্ত নারী, যারা পাতলা কাপড় পরিধান করে। যার ফলে কাপড়ের মধ্য দিয়ে তাদের গায়ের চামড়া দেখা যায়, অথবা এমন টাইট পোশাক পরে যে, যার কারণে তাদের শরীরের আকৃতি বোঝা যায়। আবার তারাও যারা পরিপূর্ণ পর্দা না করে পর্দার নামে ফ্যাশন করে, বিভিন্ন ডিজাইনের টাইট ফিটিং বোরকা পড়ে, যার ফলে তাদের শরীরের আকৃতি স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠে। জাহান্নামের কঠিন শাস্তির সামান্য বর্ণনা, মহান আল্লাহ তায়া’লা বলেন, নিশ্চয়ই সীমালংঘনকারী অবাধ্য লোকদের জন্যে জাহান্নাম শত্রুর মতো ওত পেতে বসে আছে, তাদেরকে গ্রাস করার জন্য। তারা সেখানে শতকের পর শতক ধরে থাকবে। কিন্তু সেখানে তারা তৃপ্তিদায়ক কোন খাবার বা পানি খেতে পারবেনা। তাদেরকে শুধুমাত্র ফুটন্ত গরম পানি ও দুর্গন্ধযুক্ত পচা পূজ খাওয়ানো হবে। এটাই হচ্ছে তাদের উপযুক্ত প্রতিদান, কারণ তারা হিসাব-নিকাশের কোন পরোয়া করতোনা। আর আমার আয়াত (বা নিদর্শন) সমূহকে মিথ্যা বলতো।(সুরা নাবার ২২-২৮)। সুতরাং হে প্রিয় মুসলিম নারী, আপনি কি এরপরও সাবধান হবেন না? এরপরও কি পরিপূর্ণ পর্দা করে চলবেন না? এরপরও কি বিভিন্ন ডিজাইনের আকর্ষণীয় টাইট ফিটিং বোরকা পড়বেন? মনে রাখাবেন বোরকা পড়ার অর্থ আপনার সৌন্দর্যকে ঢেকে রাখা, বোরকা পড়ার অর্থ এই নয় যে আপনার সৌন্দর্যকে আরও বেশি ফুটিয়ে তোলা। সুতরাং আজ থেকেই নিজেকে বদলিয়ে ফেলুন, এমন ঢিলে ঢালা বোরকা পরিধান করুণ যেন আপনার সৌন্দর্য তো দুরের কথা বরং আপনার শরীরের আকৃতি এক বিন্দু পরিমাণও বোঝা না যায়। আল্লাহ সবাইকে তৌফিক দান করুক। আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: