শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৩ অপরাহ্ন

সোমবার দুপুরের পর ইউরোপ থেকে বাংলাদেশে ঢোকা বন্ধ

  • সময় রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরের পর থেকে ইউরোপের কোনো যাত্রীকে (যুক্তরাজ্য বাদে) বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। ইউরোপের কোনো যাত্রী এলে তাদের ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের অন্য কোনো দেশ থেকে কোনো যাত্রী বাংলাদেশ গ্রহণ করবে না।

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সগুলো যদি এসব দেশের যাত্রী নিয়ে আসেন, তাহলে তারা নিজ খরচে আবার ফেরত নেবেন। শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে এক ঘোষণায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানান, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ইউরোপ ও করোনা আক্রান্ত দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে কেউ আসতে পারবেন না। এছাড়া বাংলাদেশ সব ধরনের অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধের ঘোষণা দেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ইউরোপ এবং সেসব এলাকায় করোনা আক্রান্ত বেশি সেসব দেশের লোকদের দেশে আসা বন্ধ, একমাত্র ইংল্যান্ড ছাড়া।

বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে ফ্লাইট সংখ্যা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীও কম আসছে। করোনাভাইরাসের কারণে ২১ জানুয়ারি থেকে দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়। সতর্কতা জারির আগে ২০১৯ সালের তথ্যানুযায়ী, প্রতিদিন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে গড়ে ১০ হাজার যাত্রী দেশে প্রবেশ করতেন।

বিশেষ সতর্কতা জারির পর বিদেশফেরত সব যাত্রীকে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হচ্ছে। ১৩ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ১৪ মার্চ সকাল ৮টা পর্যন্ত ৪ হাজার ৬১২ জন বিদেশফেরত যাত্রীকে স্ক্যান করানো হয়। এই সংখ্যা এক দিনের ব্যবধানে ১৫ মার্চ রোববার কমে হয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ জন। আকাশপথে বাংলাদেশ থেকে চলাচল আরও কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অ্যাভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বাংলাদেশে পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনই বর্তমানে সুস্থ। দুজন বাড়ি ফিরে গেছেন। বিশ্বের শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটির সংক্রমণে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এখন ছয় হাজার ৩৬। আক্রান্তের ঘটনা এক লাখ ৫৮ হাজার ৫৮১। তবে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৫ হাজার ৯৩৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চীনের মধ্যাঞ্চলের হুবেই প্রদেশের রাজধানী শহরে উহানের একটি সামুদ্রিক খাবার ও বন্যপ্রাণীর বাজার থেকে উৎপত্তি হওয়া এ ভাইরাস এখন ইউরোপ ও আমেরিকায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাসটিতে চীনে আক্রান্ত ও মৃত মানুষের হার কমতে থাকলেও ইরান এবং ইতালি ও স্পেনে তা লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: