শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন

আর্থ-সামাজিক কারণে শতভাগ শিশুশ্রম নির্মূল সম্ভব না

  • সময় শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

শাহীন মাহমুদ রাসেল::

দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের কারণে শতভাগ শিশুশ্রম নির্মূল সম্ভব না। বাংলাদেশের একটি অন্যতম সামাজিক সমস্যা হচ্ছে শিশুশ্রম। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মতৎপরতার পরেও আমাদের দেশে এখনও অনেক শিশু বেঁচে থাকার তাগিদে শ্রমে নিযুক্ত হয়।

শনিবার (১৪ মার্চ) হোটেল ইউনি রিসোর্টের হল রুমে আয়োজিত ‘নাজিরারটেক শুঁটকি পল্লীতে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন: প্রেক্ষাপট ও সম্ভাবনা’ উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সহযোগীতায় ইপসার আয়োজনে এডভোকেসি কমিটির ভুমিকা ও দায়দায়িত্ব নির্ধারণ সভায় সেমিনারে বক্তরা এসব কথা বলেন।

কক্সবাজারের বিভিন্ন শুঁটকি পল্লীতে কর্মরত শিশুশ্রম নিরসনের জন্য আয়োজন করে। সেমিনারে বক্তারা বাংলাদেশ সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম এবং ২০২৫ সালের মধ্যে সবধরণের শিশুশ্রম নিরসনে অঙ্গীকারবদ্ধের কথাও তুলে ধরেন।

ইপসার প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ ভৌমিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন এডভোকেট সাকি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাইম্ব প্রকল্পের প্রোগ্রাম কোঅডিনেটর মাহবুব উল আলম।

সভাপতির বক্তব্যে বিশ্বজিৎ বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের জন্যই শিশুশ্রম শতভাগ নির্মূল সম্ভব না। আর করা ঠিকও হবে না। তবে আমাদের নূন্যতম শিক্ষার ধাপ আরও বৃদ্ধি করে করা দরকার।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে সাকি বলেন, সুশিক্ষিত জাতিগোষ্ঠীই পারে শিশুশ্রমের কুফল থেকে আমাদেরকে বের করে আনতে। দেশের সরকার ও সরকার প্রধান শিশুশ্রম নিরসনের ব্যাপারে খুবই ইতিবাচক তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তৎপর না হলে এই লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হবে। সরকারের উচিত যেসব এনজিও’র সততা, আন্তরিকতা, অভিজ্ঞতা ও ট্রেক রেকর্ড পরীক্ষিত তাদেরকে শিশুশ্রম নিরসনের কাজে সম্পৃক্ত।

মাহবুবুল আলম বলেন, শুঁটকি পল্লীতে শিশুশ্রম একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। সময় এসেছে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকা পর্যালোচনা করা ও শিশু গ্রহ শ্রমকে উক্ত তালিকার অন্তর্ভূক্ত করা।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিশুদের নিরাপদ কর্মস্থান, শিশুশ্রম কীভাবে পর্যায়ক্রমে কমানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেন। শিশুরা কেন শিক্ষা গ্রহণ না করে কর্মক্ষেত্রে আসে সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখার আহবান জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: