বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়াড পেলেন স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২০
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ২য় তলার জহুর হোসেন চৌধুরী হলে গণতন্ত্রী পার্টির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও অসা¤প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোল” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য মাহমুদুর রহমান বাবু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ঈ্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এম.পি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু। আরো বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড দিলীপ বড়–য়া, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, গণআজাদী লীগের সভাপতি এস. কে শিকদার, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি এড. এস কে শিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার, অশোক ধর, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন সেলিম, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব) এর সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক, সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র চেয়ারম্যান, ভারত-বাংলাদেশ স¤প্রীতি উৎসবে মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড-২০২০ প্রাপ্ত জেসমিন প্রেমা, গণতন্ত্রী পার্টির ঢাকা মহানগর সভাপতি এড. এম.এ গনি, নজরুল ইসলাম, ইনসাব’র দপ্তর সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান আজিজ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এম.পি বলেন, বঙ্গবন্ধু অসা¤প্রদায়িক, শোষণশুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। সারাদেশে যেভাবে ব্যাংক লুটপাট, শেয়ার কেলেঙ্কারী ঘটেছে তা রোধ করার জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহŸান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য ও বাংলাদেশ শান্তি পরিষদের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হচ্ছেন। কতিপয় অসৎ, দুর্নীতিবাজদের কারণে এবং তা সঠিক পথে আনার জন্য তিনি সকল প্রগতিশীল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহŸান জানান। প্রধান বক্তার বক্তব্যে পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানীদের ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে ধাপে ধাপে অগ্রসর সরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অনিবার্য করে তোলেন। যা ৭ মার্চের ভাষণে সুস্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পাকিস্তানীদের বর্বরোচিত গণহত্যার শুরুতেই এদেশের সাধারণ মানুষ ও পুলিশ, বিডিআর, সামরিক কর্মকর্তাসহ দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ সশস্ত্র লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা বিশে^র মানচিত্রে স্থান পায়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের মূলনীতি শোষণমুক্ত, অসা¤প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা। সেই লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের সংবিধান রচিত হয়েছিল। তাই মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য ধনবৈষম্য কমিয়ে এনে লুটেরা, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই-সংগ্রাম করার আহŸান জানান। বিশিষ্ট সমাজকর্মী, সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা সমাজ কল্যাণ ও শান্তিতে অবদান রাখায় ভারত-বাংলাদেশ স¤প্রীতি পরিষদের উদ্যোগে কলকাতায় মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড- ২০২০ প্রাপ্তিতে গণতন্ত্রী পার্টির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: