শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন

হ্নীলায় পৈত্রিক জমি নিয়ে প্রতিবাদের নামে অপব্যাখ্যা করায় জমির প্রকৃত মালিকের বিবৃতি

  • সময় বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২০
  • ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

গত ১১ মার্চ কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক আজকের কক্সবাজার বার্তা’র শেষের পাতায় ‍‍একটি সংবাদের প্রতিবাদ ছাপানো হয়। প্রতিবাদটি হ্নীলায় পৈত্রিক জমি সম্পর্কে প্রকাশিত একটি সংবাদের উপর ভিত্তি করে করা হয়। কিন্তু উক্ত সংবাদের প্রতিবাদকারী ভূলু সওদাগর একজন চিহ্নিত জানাশোনা মাদকসেবী। এধরণের একজন মাদকসেবীর দেওয়া ভিত্তিহীন তথ্য ও অপব্যাখ্যা নির্ভর প্রতিবাদ ছাপানো হয়; যা আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবাদে অহেতুক আমার মেঝো ছেলে রমিজ আহমেদকে মাদক ব্যবসায়ী উল্লেখ করে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়েছে। প্রতিবাদের নামে কুৎসা রটনাকারী ভূলু সওদাগরও আমারই সর্বকনিষ্ট ছেলে। মূলত মাদকাসক্তি, হিংসা ও লোভ থেকে সে এই মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে। নিজের অপরাধ ধামাচাপা দিতে নিরীহ এক ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। আমার ছোটো ছেলে মো. আমিন প্রকাশ ভূলো দীর্ঘদিনের বখে যাওয়া এক সন্তান। ৪সন্তানের মধ্যে ভূলো সবার ছোটো। একারণে সে বুঝে না বুঝে ভাইদের সাথে তর্কে লিপ্ত হয়। এবং কুসঙ্গের পাল্লায় পড়ে দিনে রাতে একাধিক বার মাদক সেবন করে। যার ফলে সে হিতাহিত বুদ্ধিজ্ঞান হারিয়ে প্রায়ই অপ্রকৃতস্থ থাকে এবং তার ভাইদের সাথে খারাপ আচরণ করে। পরবর্তীতে এই বিষয়টিকে পুঁজি করে স্থানীয় চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীর প্ররোচনায় ভাইয়ে ভাইয়ে রক্তপাতের মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- জমিজিরাত সংরক্ষণের কৌশলগত পদ্ধতির কারণে আমিনের জন্মের আগে আড়াই বিঘা করে মোট পাঁচ বিঘা জমি বড় দুই ছেলেকে হেবা করেছিলাম। পরবর্তীতে আমিনের ভূমিষ্টের পর সে প্রাপ্ত বয়স্ক হলেও তার জন্যও তিন বিঘা জমি বরাদ্দ রাখি। এবং তা আমার মৃত্যুর পর বুঝে পাওয়ার সুযোগ করে দিই। কিন্তু আমার ছোটো ছেলে আমিন এতোটাই মাদকাসক্ত থাকে যে কোনো কিছু না বুঝেই সম্পদের ভাগ বণ্টনের কথা তোলে তার অপরাপর ভাইদের সাথে ঝগড়া বিবাদ লাগিয়ে আসছে। একারণে আমি বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করি। এবং সর্বশেষ তাকে টেকনাফ থানা পুলিশের হেফাজতে কারাগারে প্রেরণ করার ব্যবস্থা করি। এরপরে সে কিছুদিন পূর্বে জামিনে মুক্তিলাভ করে। জামিন পাওয়ার পর এখন আবারও সে তার আপন ভাইদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। মাদকাসক্ত হয়ে আবুল তাবুল বক্তব্য দিচ্ছে সাংবাদিকদের।

প্রকৃতপক্ষে আমি মাওলানা আবুল মঞ্জুর (৮৫) প্রকৃত জমির মালিক। আমার জীবদ্দশায় এখনও কোনো সন্তানকে আমি জমি বন্টন করে দিইনি। কিন্তু সেই সময় কৌশলগত কারণে কিছু সম্পদ দুই সন্তানের নামে হেবা করতে হয়েছিলো। এটাকে আমার ছোটো ছেলে আমিন ভুল বুঝে বারবার ভাইদের সাথে ঝগড়া লাগায়। এসব বিষয়ে ইন্ধন দেয় স্থানীয় চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী। অথচ আমিনের নামে আমি ইতিমধ্যেই তিন বিঘা সম্পদ বরাদ্দ করে রেখেছি এবং দোকানগুলোও তাকে ভোগ করতে দিয়েছি। এরপরও সে মাদকাসক্তির কারণে এভাবে একের পর এক নির্যাতন করছে।
সুতরাং প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের এই বিষয়টিকে যারা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে তাদের ব্যাপারে সচেতন থাকুন। কারও মিথ্যা তথ্য কিংবা গুজবে কান দিবেন না। আমার যে ছেলেটি অন্যায় করেছে তার ব্যাপারে যেমন আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি আবার যে ছেলেটি নিরাপরাধ এবং হামলায় আহত হয়েছে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করায় এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
আলহাজ্ব মাওলানা আবুল মঞ্জুর
সাবেক মুহাদ্দেস, হ্নীলা দারুস্সুন্নাহ মাদ্রাসা, টেকনাফ।
সাং-পশ্চিম পানখালী, হ্নীলা,টেকনাফ,কক্সবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: