বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

খরুলিয়ায় বেকার দুই ভাইয়ের বিলাসবহুল গাড়ি-বাড়ি : নেপথ্যে ইয়াবা না হুন্ডি?

  • সময় শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২০
  • ১০১৬ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম রিপোর্ট::
খরুলিয়ার মুনশির বিল এলাকার মুছা আলীর দুই পুত্র গিয়াস উদ্দিন(৩৮) ও জোবাইর(২৯)। অল্প কিছুদিন পূর্বে ইয়াবাসহ আটক হয়েছিলো জোবায়ের। এরপরে জামিন নিয়ে বের হয়ে এলেও নতুন ভাবে শুরু করে পুরোনো সেই ইয়াবা ব্যবসা। অভিযোগ রয়েছে- জোবায়েরের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে তারই সহোদর গিয়াস উদ্দিন। এভাবে জোবায়ের ও তার ভাই মিলে ইয়াবা বিক্রি করে বিপুল অর্থবিত্ত ও সম্পদশালী হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য- জোবায়েরদের ইতিপূর্বে তেমন কোনো জমিদারি ছিলো না। তাদের একটি রিক্সার গ্যারেজ ছিলো। গ্যারেজ থেকে উপার্জিত আয় দিয়ে চলতো তাদের পরিবার। কিন্তু হঠাৎ আকস্মিকভাবে পরিবর্তন আসে মুছা আলীর এই দুই সন্তানের জীবন যাপনে। নিজ এলাকা খরুলিয়ায় বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ, প্রাইভেট কার ক্রয়সহ চলন বলনে এসেছে বেশ আভিজাত্য। যা চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও শহরের টেকপাড়াতেও এই দুই ভাই মিলে নির্মাণ করেছে বহুতল ভবন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিন ইতপিূর্বে প্রবাসে ছিলো। সেখানে বেআইনী প্রবেশের অভিযোগে আটক হয়ে শুন্য হাতে দেশে ফেরত আসেন। পরে দেশে এসে দৃশ্যমান ব্যবসা হিসেবে পূর্বের রিক্সার গ্যারেজে কাজ কর্ম শুরু করে। অন্যদিকে জোবায়ের ইয়াবাসহ আটক হওয়ার আগে বা পরে এখনও পর্যন্ত বৈধ কোনো কাজ কর্মের সাথে জড়িত নন বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে- গিয়াস উদ্দিন পৈত্রিক ব্যবসা হিসেবে গ্যারেজে সময় দিলেও জোবায়ের পুরোপুরি বেকার একজন যুবক। কিন্তু তারা উভয়েই এখন শিল্পপতিদের মতো চলাফেরা করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন- গিয়াস উদ্দিন ইয়াবা ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত না হলেও জোবায়েরের ইয়াবা ব্যবসার পাহারাদার হিসেবে কাজ করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন জানান- তিনি এখন একটি ক্ষুদ্র ব্যবসায় আছেন। জমি বিক্রির টাকায় গাড়ি নিয়েছেন। আর জোবায়েরের ইয়াবা ব্যবসার কথা স্বীকার করে তিনি আরও দাবী করেন- জোবায়েরের সাথে তার এখন কোনো পারিবারিক সম্পর্ক নেই। তবে খরুলিয়া ও টেকপাড়ায় একাধিক ভবন নির্মাণের বিষয়ে তিনি জানান বাড়ি ও গাড়ি উভয়ই ফরিদ নামে একজনের। তিনি ফরিদের ভবনের কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সে সুবাদে ওই ভবনে থাকেন এবং গাড়িটি চালান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: