সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন

সীমান্তে ইয়াবা লুটের ঘটনায় তোলপাড়, গা ঢাকাদিয়েছে মামুন গ্রুপ

  • সময় মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া::
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের পাশ্ববর্তী হোয়াইক্যং কেরুনতলীতে প্রথমে ৭০হাজার ইয়াবা লুটের ঘটনায় তোলপাড় শুরু হলেও পরে গোপন সুত্রে খবর পাওয়া যায় তিন লাখ ইয়াবা ছিনতাই ঘটেছে বলে দাবি উঠেছে স্থানীয় সুত্রে। এর জের ধরে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ইতিমধ্যে কয়েকজনকে তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে সুত্র জানিয়েছে। এনিয়ে সন্দেহজনক ভাবে একটি বসত ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ও দেওয়া হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪ ঘটিকায় টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের কেরুনতলী এলাকায় হোয়াইক্যং পুলিশ খারাইঙ্গা ঘোনার দুইজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ নুরুল ইসলামের পুত্র আব্দুল মুনাফ(২০) ও নেজাম উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমান (৩২) কে আটক করে। এসময় তাদের নিকট থেকে চৌদ্দ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে মর্মে গ্রেফতার দেখালেও, রয়ে গেছে এর রহস্য। স্থানীয় লোকজনের সামনে দিয়ে লুটপাট করে ইয়াবাগুলো কিছু স্থানীয় দালাল চক্রের লোকজন। এর মূল চাবিকাঠি হচ্ছে স্থানীয় আবদুল জব্বার এর ছেলে মামুন(২৫) ও মরহুম গোরাআলী সিকদার এর পুত্র ফিরোজ আহমেদ,(৩২) মুসা আলীর পুত্র মোহাম্মদ ফারুক (২৪) নুরুল ইসলাম এর পুত্র হোসেন আহমদ (২৮)। গোপন সুত্রে খবর মিলে একটি সিএনজি গাড়িযোগে ইয়াবা আসছে। খবর তাদের কাছে আগেভাগে খবর চলে আসে। সিএনজি গাড়িটি থামিয়ে দুটি কাটুন তারা নিয়ে নিলে পরে প্রশাসনের নজর এড়াতে চৌদ্দ হাজার ইয়াবা পুলিশকে দিয়ে ইয়াবার সঙ্গে থাকা দুই জনকে পুলিশে সংবাদ দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এরপর পালংখালী বাজার থেকে পুলিশ নিয়ে যায় তাদের। পরে চৌদ্দ হাজার ইয়াবা দিয়ে কক্সবাজার কারাগারে প্রেরণ করে এদুজনকে। বর্তমানে মামুন গ্রুপের সবাই গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এই বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে মামুন গ্রুপ এর সবাই পলাতক। বর্তমানে তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এদের না পাওয়া পর্যন্ত বাকী ইয়াবাগুলোর ব্যাপারে সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না তারা। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ আরিফুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে ইয়াবা বহন করে যাচ্ছে এমন খবর আমরা গ্রেফতার করি ঐ দুইজনকে। ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ বলেন- কেরুনতলী এলাকার অধিকাংশ লোকজন ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত। কিন্তু আসল তথ্য দিতে কেউ চায়না, যার কারনে প্রকৃত গডফাদাররা বারবার রয়ে যাচ্ছে ধরাছোয়ার বাইরে। বিশাল এক ইয়াবা’র চালান লুটের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক পূর্বক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অনেকে এর সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে বলে জানান তিনি। সীমান্ত এলাকার লোকজন জানান, কেরুনতলী এলাকায় গুটি কয়েক ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ীর কারনে পুরো গ্রামের মানুষ ভালভাবে ঘুমাতে পারছেনা। তারা স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলাও মুশকিল বলে জানান এলাকাবাসি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: