মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

খুরুশকুলের মাদক ব্যবসায়ী আতাউল্লাহ সিন্ডিকেট এখনো অধরা

  • সময় মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজারের খুরুশকুল গাজির ডেইল এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আতাউল্লাহ সিন্ডিকেট বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তার নেতেৃত্বে একই এলাকার মিজান ও বার্মাইয়া শাকের উল্লাহসহ একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দেদারছে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাগেছে, বছর খানেক আগেও বেকার জীবন যাপন করতো আতাউল্লাহ। তার শ্বশুড় বাড়ি টেকনাফ হওয়ার সুবাদে মাদক ব্যবসায় পা দিয়ে বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যান। মাদক বিক্রির টাকায় চকরিয়া ও ডুলাহাজারায় দুটি আলিশান বাড়ি, প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-৩৩-৮১৪৩), ৮টি কাভার্ড ভ্যানের মালিক হয়েছে। এছাড়াও তার রয়েছে নিজস্ব একটি বাহিনী। বর্তমানে সে টেকপাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। তার বিরুদ্ধে থানা আদালতে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। যার নাম্বার- জি আর ৮৫২/১৯, জি আর ৫৭৭/১৯, জি আর ৯৯৪/১৯। এছাড়া অন্যান্য আরও ২টি মামলা রয়েছে শাকেরের বিরুদ্ধে। তার অপরাপর সিন্ডিকেট সদস্যদের বিরুদ্ধেও থানা আদালতে একাধিক মামলা বিচারধীন রয়েছে বলে একটি সুত্র নিশ্চিত করেন। সম্প্রতি কক্সবাজার শহরের মাঝির ঘাট এলাকায় ইয়াবা’র চালান লুটের ঘটনাও সিন্ডিকেট প্রধান আতাউল্লাহ সরাসরি জড়িত বলে ওই সূত্রটি নিশ্চিত করেছেন। আইন-শৃংখলা বাহিনী যদি আতা উল্লাহকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহলে আসল তথ্য বের হয়ে আসবে বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে তার সিন্ডিকেটের সদস্য শাকের উল্লাহ মিয়ানমার নাগরিক। তিনি বাংলা বাজারস্থ মুক্তারকুল থেকে বিয়ে করেন। তার শ্বশুড় আবুল কাশেম প্রকাশ আলী আহমদকে পিতা পরিচয় দিয়ে ভোটার হয়েছেন। তার নিজস্ব প্রাইভেট কার থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় বাড়ী গাড়ী অর্জন করেছেন। তার মধ্যে চকরিয়ার ডুলাহাজারা ও চিরিঙ্গায় আলীসান বাড়ী বানিয়েছেন শাকের উল্লাহ। পাশাপাশি রামু উপজেলার গর্জনীয়া এলাকায় কয়েক একর জমি কিনেছেন। বিয়েও করেছেন একাধিক। তার স্ত্রীরাও তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আতা উল্লাহ সিন্ডিকেট মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তার বাহিনীর ভয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে মুখ খুলতে পারেন না। নানান ভয় ভীতি প্রদর্শন করে বীরদর্পে ওই সিন্ডিকেট মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইন-শৃংখলা বাহিনীর একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ওই সিন্ডিকেটের আতা উল্লাহ, শাকের উল্লাহ ও আরমান কারা ভোগ করলেও বাকিরা অধরা রয়েছেন। তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনার জন্য দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি তাদের অবৈধ সম্পদ সমূহ সরকারীভাবে ক্রোক করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: