বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
নোঠিশ
ওয়েব সংষ্কারের কাজ চলিতেছে। সাময়িক অপরাগতার জন্য দু:খিত

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ এক কঠিন সময়ের সম্মুখীন

  • সময় সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

এন্টুনী গমেজ বরগুনা (বেতাগী) প্রতিনিধি::
বাংলাদেশের স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ হইছিল মুক্ত চিন্তা ধর্ম নিরপেক্ষতা মেহনতি মানুষের ভাগ্যান্নের জন্য।১৯৭১ পরে বাংলাদেশের ৭ কোটি মানুষ ছিল আওয়ামী লীগ। যে পাকিস্তানি সৈনিক জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু বুকে গুলি চালাতেন সাহস পায়নি । আমরা বেইমান বাঙ্গালী জাতী বঙ্গবন্ধু বুকে গুলি চালিয়েছি হত্যা করছি নৃশংস ভাবে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে আসার পর বহু চ্যালেজ্ঞ মোকাবিলা করছে বুদ্ধিমত্তা এবং বিচক্ষণতার সাথে। মৃত্যুকে দেখেছেন কাছ থেকে ।মৃত্যু মুখ থেকে ফিরে এসেছেন ১৯ বার।কিন্তু এবারের সমস্যা ভিন্ন দিল্লিতে সাম্প্রতিক দাঙ্গা এবং মুসলিমদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় মোদির আমন্ত্রণ প্রত্যাহারে সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। ডান, বাম মধ্যম বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা এ দাবিতে সোচ্চার। তারা সভা-সমাবেশ করছেন। বিবৃতি দিচ্ছেন। ওই সব বক্তৃতা বিবৃতিতে অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশে মোদিকে স্বাগত না জানানোর পক্ষে নানান যুক্তি দেখানো হচ্ছে। হেফজাতে ইসলামসহ সমমনা ধর্মভিত্তিক দলগুলোর নেতারা মোদির আমন্ত্রণ প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানোর পাশপাশি কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যদি মোদির আমন্ত্রণ প্রত্যাহার না করেন, তাহলে মানুষ তার আগমণের দিনে বিমানবন্দর ঘেরাও এবং সেখানে তাকে প্রতিহত করবে। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে মোদি বিরোধী বিক্ষোভ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। বিক্ষুব্ধ বাম দলের নেতারা বলেছেন-মোদিকে স্বাগত জানানো হবে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতি অসম্মান। তবে সরকারের তরফে পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে বলা হয়েছে- মোদির আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের চিন্তা হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে রক্ত ঢেলে দেয়া ভারতের প্রতি অকৃতজ্ঞতা। উদ্ভূত পরিস্থিতি যে ভারতের সরকার প্রধানের অত্যাসন্ন বাংলাদেশ সফরকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দিয়েছে । এদিকে বি এন পির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বলেছেন সর্বশক্তি নিয়ে বিএনপির মোদিবিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়া সময়ের দাবি । বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সারা দেশের মানুষ মোদিকে বাংলাদেশে আসতে দিতে চায় না। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এবং মোদিকে মুজিববর্ষে অনুষ্ঠানে আনার গ্রহণযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার ঝুঁ’কি দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনগণ প্রচণ্ডভাবে মোদিবিরো’ধী হয়ে উঠছে। শেষ পর্যন্ত সরকার মনে হয় ঝুঁ’কি নিতে পারবে না- যা প্রতিদিনই দৃশ্যমান হচ্ছে। আর ঘটনা বিশ্ব মিডিয়া গুরত্ব সহকারে প্রচার করছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর press secretary এক সাংবাদিকের প্রশ্ন করছিলেনবাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত কিনা উত্তরে উনি বললেন জানেন এবং এ ব্যাপারে চিন্তিত।তাহলে ধরে নেওয়া হচ্ছে কানাডা প্রধানমন্ত্রী সফর বাতিল হওয়ার সম্ভবনা আছে। সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাংলাদেশ সরকার নরেন্দ্র মোদীকে যে আমন্ত্রণ জানিয়েছে সেটি প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই। মি: হোসেন বলেন, ” ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ এবং ক্ষেত্র বিশেষে নাজুকও বটে। ভারতে যাই কিছু ঘটুক না কেন, ভারতের সাথে সার্বিক সম্পর্ক সবসময় বিবেচনায় রাখতে হবে।” হেফাজত ইসলাম এবং অনন্য ইসলাম ভিক্তিক ১৫ এবং ১৬ ই মার্চ দল বিমান বন্দর অবরোদে করবে। একদিকে বিশ্ব নেতা আসবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিক বিন্দু বিশ্ব মিডিয়া। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এক কঠিন সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে। এই অগ্নিঝরা মার্চে নিতে হবে এক অগ্নিঝরা সিদ্ধান্ত

Please Share This Post in Your Social Media

আরো সংবাদ
%d bloggers like this: