সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

অদম্য গতিতে চলছে হোয়াইক্যং কেরুনতলীর জাহাঙ্গীর-মামুনের ইয়াবা ব্যবসা

  • সময় সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

এদের রূখে দেওয়ার সাধ্য কার…

ক্রাইম প্রতিবেদন

হোয়াইক্যং কেরুনতলীর নব্য ইয়াবা কারবারির বড় সিন্ডিকেট এখন জাহাঙ্গীর ও মামুনের নিয়ন্ত্রণে। তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ফারুক। হোয়াইক্যং কেরুনতলী এলাকায় এরা দীর্ঘদিন পর্যন্ত এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে।
অদৃশ্য শক্তির সহায়তায় অস্ত্রবাজ ও মদ্যপ জাহাঙ্গীর, মামুন, ফারুক ধরা-ছোয়াঁর বাইরে রয়ে গেছে। এমনকি এলাকার মানুষ মুখ খুলতে নারাজ তাই এখনো নানা অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। একারণে সরকারের মাদক বিরোধী অভিযান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটে আসছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে জাহাঙ্গীর এর মামা নোয়াপাড়ার ইয়াবা মাবু আদালতে আত্মসমর্পণ করলেও এখন নিয়ন্ত্রণ করে মাবুর ছেলে রুবেল ও জাহাঙ্গীর, মামুন, ফারুকসহ আরও বেশ কজন।
জানা যায়- জাহাঙ্গীরের মামা মাবু একজন শীর্ষ ইয়াবা কারবারি তালিকা ভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে চার পাঁচ টি ইয়াবা মামলা হওয়ায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পরে শেষ পর্যন্ত ক্রসফায়ারের ভয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে। কিন্তু তার অবর্তমানে তার সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে জাহাঙ্গির-মামুন সিন্ডিকেট।

এখন ইয়াবা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে জাহাঙ্গীর, মামুন, ফারুক। কেরুনতলী এলাকায় ঘুরে দেখা যায় জাহাঙ্গীরের একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। যার বিস্তৃতি দেশে ও দেশের বাইরেসহ বিভিন্ন জায়গাতে। নোয়াপাড়া থেকে রুবেল সংগ্রহ করে দিলে বাতাসের তোড়ে জাহাঙ্গীর পাচার করে দিচ্ছে সিএনজি করে। সহযোগী মামুন পিতা আবদু জব্বার, ফারুক পিতা মুশাআলী ঢাকা চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবার ছোটো বড় চালান সরবরাহ করে যাচ্ছে।
এদের রয়েছে কয়েকটি সিন্ডিকেট এবং রয়েছে কয়েকটি সিএনজি। এদের মধ্যে অনেক বড় ইয়াবা কারবারির সাথে হাত রয়েছে এবং সুযোগ বুঝে প্রশাসনের আস্থাভাজন সাজারও চেষ্টা করে তারা।
সাম্প্রতিক ঘটনা- গত কিছু দিন আগে তাঁরাই রোহিঙ্গাদের ইয়াবা ও কাপড়ের চালান নিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। এই বিষয় নিয়ে পরে হোয়াইক্যং জিডি হয়। পরে জানাজানি হলে অর্ধেক চালানকারি রোহিঙ্গার সাথে দেখিয়ে বাকী ইয়াবা ভাগাভাগি হয় মামুন, ফারুক, জাহাঙ্গীরসহ আরও কয়েকজনের মাঝে।
এ দিকে আইন-শৃংখলা বাহিনীর অভিযানের মুখে এলাকায় ইয়াবা পাচার, বহন ও সেবনে জড়িত লোকজন আড়ালে চলে যাওয়ায় এলাকায় স্বস্থি ফিরে আসে। কিন্তু অল্প বয়সের জাহাঙ্গীর, মামুন , ফারুক, মাদক কারবারী ও সেবীদের সংস্পর্শে গিয়ে হয়ে উঠে অস্ত্রধারী, মাদক কারবারী ও মাদকসেবী। মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এলাকার গরীব ও বেকার ছেলেদের নিয়ে গড়ে তোলে বিশেষ বাহিনী। তাদের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ করছে মাদক চোরাচালান। হোয়াইক্যং এলাকার বাঘা বাঘা ইয়াবা কারবারী নিঃশেষ হওয়ার পর এই জাহাঙ্গীর, মামুন, ফারুক, চক্রের হাতধরে আবারো মাদকের অপতৎপরতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সরকার, রাষ্ট্র ও আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ এলাকার সাধারণ মানুষের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।
তাই উক্ত এলাকাকে মাদকমুক্ত করে শান্তিপ্রিয় মানুষের আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তদন্ত সাপেক্ষে কেরুনতলীর নব্য ইয়াবাগংয়ের শেকঁড় উপড়ে ফেলার দাবী উঠেছে।

এই বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে স্হানীয় জনগণের দাবী এদের গ্রেফতার করলে বিভিন্ন তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares