বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে লামায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

  • সময় শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

লামা প্রতিনিধি:
দীর্ঘ এক কিলোমিটার আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করেছে লামাবাসি। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই আনন্দ শোভাযাত্রায় লামার সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মী, ধর্মীয় নেতা ও নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। এই যেন এক মিলনমেলায় রুপ নিয়েছে।

সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে লামা বাজার প্রদক্ষিণ শেষে লামা থানা চত্বর ঘুরে একই জায়গায় এসে শেষ হয়। এসময় র‌্যালীত্তোর উপজেলা পরিষদের সামনে উন্মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ফাতেমা পারুল, সরকারি মাতামুহুরী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বাথোয়াইচিং মার্মা, ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহেদ উদ্দিন, মিলকী রাণী দাশ, মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মাহাবুবর রহমান, পুলিশ পরিদর্শত (তদন্ত) আমিনুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন সহ প্রমূখ।

দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা, শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ জানুয়ারি। গতকাল জাতীয়ভাবে দিবসটি পালিত হয় এবং তারই ধারাবাহিকতায় আজ উপজেলা পর্যায়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী তিনি স্বাধীন স্বদেশের বুকে ফিরে আসেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতির ওপর আক্রমণ শুরু করার পরই ধানমন্ডির বাড়ি থেকে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় তিনি পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে বন্দী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে শোচনীয় পরাজয়ের পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাধ্য হয়ে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়।
তিনি আরো বলেন, জাতির এই শ্রেষ্ট সন্তানকে সম্মান জানাতে লামাবাসি যেভাবে আজ এক কাতারে আবদ্ধ হয়েছে, তা দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। এই যেন স্বাধীনতার পক্ষে এক মিলনমেলা। এই দেশপ্রেম আমাদের উন্নয়নে সারথি হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল বলেন, এক কিলোমিটারের অধিক লম্বা এই আনন্দ শোভাযাত্রা আবারো প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর স্থান এই দেশের মানুষের হৃদয়ে মণিকোঠায়। হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের অনুপ্রেরণা ও শক্তি। তার দেখানো পথ আমাদের সুখি, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভশীল একটি রাষ্ট্র গঠণে সহায়তা করবে। যার অগ্রপথিক হচ্ছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার শেখ হাসিনা। আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবি করুন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares