মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

হিজলায় কার্পেটিং রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

হিজলা প্রতিনিধি \
বরিশালের হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের হরিনাথপুর গ্রামে কুসাইপট্টি হইতে কামাল সরদার বাড়ি পর্যন্ত ১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি আঞ্চলিক সড়ক এলজিইডির অধিনে বি.ডি.আর.আই.ডি প্রকল্পে নির্মাণের কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাঁচামাল ব্যবহারে গাফিলতি নিয়মাবলিতে ৬ ইঞ্চি সাবভেইজ, ৬ ইঞ্চি মেগাডম, ও ২৫ মিলি কারপেটিং করার কথা থাকলেও কিছুই মানছে না ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ইমাত এন্ড ইসাব এন্টারপ্রাইজ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অনিয়ম-দুর্নীতির মধ্য দিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীদের ম্যানেজ করে চলছে কার্পেটিং রাস্তার কার্যক্রম। এসকল অনিয়মের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকারের কাছে অভিযোগ দিয়ে ও কোন পরিত্রান পাচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুসাইপট্টি হইতে কামাল সরদার বাড়ি পর্যন্ত এলাকায় নি¤œমানের কাজের চিত্র সড়কজুড়েই। ২৫ মিলি কার্পেটিং এর স্থানে ১৮/১৯ মিলি আবার কিছু কিছু জায়গায় ১২/১৪ মিলি ও রয়েছে। এবং ছিলকোড সাদা কেরসির দিয়ে করার কথা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে ডিজেল, যা মুহুর্তেই উঠে যাচ্ছে। ৪ স্তরের পাথর মিক্স ও পরিমান মত হচ্ছে না এমনকি নিধারিত পরিমানের অর্ধেকের ও কম ভিটুমিন দিয়েই তৈরি হচ্ছে যাতে এখনই পায়ের হাটাই কিছু কিছু জায়গার পাথর খুলে যাচ্ছে।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী বাহাদুর দিফুলিয়া এর নিকট অনিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে, স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের ম্যনেজ করার চেস্টা চালায়। এবং বলেন সবকিছু মেনে তো কাজ করা যায় না।

এসকল অনিয়মের ব্যপারে উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকারের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমার অফিসে জনবল সংকট থাকায় সার্বক্ষনিক তদারকি করা ব্যাহত হয়েছে। এখন আমরা দেখছি রাস্তার কাজে কিছু ত্রæটি রয়েছে সেগুলো সিলকোট ও ডাস দিয়ে মেরামত করা হচ্ছে।

বরিশাল এলজিইডি অফিসের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম এর কাছে এ সকল অনিয়নের জানতে চাইল তিনি বলেন, এ ব্যপারে আমরা মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি, সেখানে আমাদের ল্যাবের লোক (মামুন) পরিক্ষা করতে যাবে, অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ল্যব পরিক্ষক মামুন হোসেন কাজের অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা প্রকৌশলীকে বলেছি যে সকল কাজের ত্রæটি রয়েছে সে সকল ত্রæটি সংশোধন না করা পর্যন্ত বিল পরিশোধ করা হবে না।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares