মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক ইয়াবা শক্তিশালী হওয়ার মূল কারণ স্হানীয়দের ব্যবহার করে প্রবেশ হচ্ছে ইয়াবা।

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৩৩১ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন নুরুল বশর উখিয়া।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক শক্তিশালী হয়ে ওঠা ইয়াবা চোরাচালান চক্রটি বহাল তবিয়তে রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। রোহিঙ্গারা ইয়াবা বিক্রি করে রোহিঙ্গাদের মধ্যে অনেকেই ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন। অনেকে ক্যাম্পের পাশেই সরকারি জায়গা দখল করে নিজ খরচে আলিশান বাড়িও করেছেন। বিলাসবহুল বাড়ির ছবিসহ পত্রিকায় রিপোর্টও ছাপা হয়েছে। এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতাও চোখে পড়ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সবশেষ সেনা নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার আগে সেখানে রোহিঙ্গাদের অনেকেই ছিলেন ‘ইয়াবা ডন’। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসার পর কিছুদিন চুপচাপ থাকলেও বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে তাদের সেই সিন্ডিকেট ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেছে।

এ নিয়ে ক্যাম্পের কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তারা জানান, উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্তত সহস্রাধিক রোহিঙ্গা রয়েছেন। তাদের সঙ্গে মিয়ানমারের রাখাইন সম্প্রদায়ের যোগাযোগ রয়েছে। সূত্রটি বলছে, মিয়ানমার থেকে রাতের আঁধারে ইয়াবা ও মাদকের চালান সীমান্তের কাঁটাতারের পার্শ্বে বয়ে নিয়ে আসে সিন্ডিকেটের সদস্যরা। পরে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা সীমান্ত থেকে মাদকের চালান বয়ে নিয়ে আসে। এভাবে প্রতিনিয়ত কোটি টাকার ইয়াবা ঢুকছে উখিয়া টেকনাফ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। পরে ইয়াবার চালান সুযোগ বুঝে চিহ্নিত সিন্ডিকেট সদস্যরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে দিচ্ছে। তবে সিন্ডিকেটের গডফাদাররা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

জানা যায় স্হানীয় হোস্ট কমিউনিটির মানুষ সঙ্গে নিয়ে রোহিঙ্গা মিলে গড়ে তোলে ইয়াবা সিন্ডিকেট এই বিষয় নিয়ে ক্যাম্প ১৫ একজন রোহিঙ্গা বলেন রোহিঙ্গা আর বাংলাদেশী নিয়ে কাঁটাতার বরাবর গেলে মায়ানমার থেকে এনে দেওয়া হয় ইয়াবা এরপর স্হানীয় দের বাসায় রাখা হয় ইয়াবা সেই বিষয়ে জড়িত স্হানীয় কিছু দিন পরপরই ইয়াবা গুলো ক্যাম্পে ডুকে পড়ে কিন্তু এই সময় একজন মানুষ ইয়াবা গডফাদার এর কাছে জিম্মি রেখে যেতে হবে যতোক্ষণ পর্যন্ত ভালো ভাবে ইয়াবা গুলো পৌঁছে না।

তাহাকে আরও প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন তোমার এইরকম কোন মানুষ পরিচয় আছে কিনা তখন তিনি হোয়াইক্যং ইউনিয়ন এর উলুবনিয়া গ্রামের একজন এর পরিচয় তুলে ধরেন নাম মোঃ খায়রুল বশর(৩৮) পিতা কবির আহমেদ সেই দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের ইয়াবা চালান বহন করে যাচ্ছেন মাছের ব্যবসার আড়ালে।

কিছু দিন আগে মায়ানমার থেকে তিন লাখ বিশ হাজার ইয়াবা ডুকে তাঁর মাধ্যমে সেখান থেকে দুই লাখ ইয়াবা ক্যাম্পে প্রবেশ করিয়ে দিলে ও বাকী গুলো নিয়ে তিনি আন্ডারগ্রাউন্ডে লুকিয়ে আছেন মোবাইল ফোন সহ বন্ধ বলে জানান তিনি। তখন তাহাকে জিজ্ঞেস করা হলে তোমার সাথে সম্পর্ক কি তিনি বলেন আমি খায়রুল বশর এর সাথে একজন লেবার খায়রুল বশর ইয়াবা নিয়ে উধাও হওয়ার কারণে আমি ক্যাম্পে আতংকে আছি মালিক মনে করেন আমি সহ মিলে ইয়াবা গুলো গায়েব করছি আমি মনে করি খায়রুল বশর কে গ্রেফতার করিলে সব তথ্য বেরিয়ে আসিবে।

সেই বিষয়ে খায়রুল বশর এর সাথে বেশ কয়েক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বাহিরে বলা হয় সেই বিষয়ে উলুবনিয়া গ্রামের একজন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন বেশ কিছু ধরে তাহার চলাচল সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে।

এই বিষয়ে উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল মনসুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বর্তমান সময়ে রোহিঙ্গা আর স্হানীয় মিলে ইয়াবা প্রবেশ করাচ্ছেন স্হানীয় লোক গুলো আমাদের কে সহযোগিতার যায়গায় ইয়াবা গডফাদার সাথে রয়েছে আমাদের মাথায় আছে প্রচুর চেষ্টা চলছে ইয়াবা সিন্ডিকেট গুলো চুরমার করা হবে ইনশাআল্লাহ।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares