সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

টেকনাফ বন্দরে অনিয়ম বন্ধ করতে মাঠে নেমেছে তদন্ত কমিটি!

  • সময় রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

(এক সপ্তাহে সাড়ে ৫ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি)
আলোকিত ডেস্কঃ
টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারের পেঁয়াজ আমদানি এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলেও সারা দেশের ন্যায় স্থানীয় বাজার গুলোতে পেঁয়াজের দাম এত বেশী যা সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিনে মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে ৫ হাজার ৪৪৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

গতকাল শনিবার এসেছে ৮৮০ দশমিক ৯২০ টন। গত নভেম্বর মাসে আমদানি হয়েছিল ২১ হাজার ৫৬০ টন পেঁয়াজ।

এদিকে মিয়ানমার থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে পেঁয়াজের দাম ও সংকট উভয়টি কাটছেনা। পেঁয়াজ আমদানি ও বাজারে সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ ওঠেছে।

খোদ আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। অতিরিক্ত মুনাফা ভোগ ও সংকট জিইয়ে রাখার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। মিয়ানমার থেকে বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করে বাজারে কম সরবরাহ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ পেয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোঃ শাজাহান আলীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল টেকনাফ বন্দরের বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করে কোন জায়গায় অনিয়ম হচ্ছে সেই বিষয়ে তদন্ত কাজ শুরু করেন।

এসময় তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোঃ শাজাহান আলী বলেন, পেঁয়াজ আমদানিতে কোন অনিয়ম, কারসাজি প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সুপারিশ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার সারাদিন টেকনাফ স্থল বন্দরের শুল্ক ও কাষ্টমস কর্মকর্তা, সিএন্ডএফ এজেন্ট,পেঁয়াজের আড়তদার, ভোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বক্তব্য গ্রহন করা হয়। একইসাথে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ব্যাংকে খোলা এলসি ও অন্যান্য ডকুমেন্টের সাথে পেঁয়াজ আমদানি, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণে সামঞ্জস্য আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ করে উক্ত কমিটি অচিরেই বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এসময় কমিটির আহবায়ক এডিএম মোহাঃ শাজাহান আলি ছাড়াও সদস্য টেকনাফের ইউএনও মোঃ সাইফুল ইসলাম সাইফ,পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়ান,সদস্য জেলা বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares