রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

সদরের ভারুয়াখালীতে প্রতিবেশীর জমি দখলে নিতে মরিয়া আলী হোসেন গং

  • সময় সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক \

কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী ইউনিয়নের ফকিরপাড়ায় প্রতিবেশীর সাথে বিরোধীয় জমি মামলা নিস্পত্তি হওয়ার আগেই দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মৃত আব্দুল গণীর পুত্র আলী হোসেন ও আনোয়ার হেসেনের বিরুদ্ধে। আইন আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে অভিযুক্তরা দফায় দফায় তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করে নিচ্ছে। সর্বশেষ গত ৭ জুলাই চক্রটি নতুন করে আরও ১২শতক জমি জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনিয়ে ৩ দফায় সর্বমোট ১শত ৪০শতক জমি দখল করে নিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আলী হোসেন ও আনোয়ার হোসেন গং এর সাথে তাদের প্রতিবেশী হাজী মোক্তার আহমদ গং, শফিকুর রহমান গং, মো. ইউনুছ গং এবং মো. ইরফান গং এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমির বিরোধ চলে আসছে। ভারুয়াখালী মৌজার সুনির্দিষ্ট ৪টি বি.এস দাগের ১.২৯২৫ একর জমি নিয়ে জেলা জজ আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। রয়েছে নিষেধাজ্ঞাও। এতদসত্বেও চক্রটি উক্ত জমি দফায় দফায় দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগে জানান ভুক্তভোগী হাজী মোক্তার আহমদ গং। এঘটনায় তারা গত ২৭ জুলাই ইদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগও দায়ের করে।

এদিকে অভিযুক্ত আলী হোসেন গং এর আনোয়ার হোসেন জমি দখলে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মুঠোফোনে প্রতিবেদককে জানান- দখলে নেওয়া জমিগুলো মামলাধীন দাগের নয়। তারা তাদের ‘বৈধ নিষ্কণ্টক’ দাগের জমি দখল করেছে। তবে কোন সেই নিষ্কণ্টক দাগের জমিগুলো গংটি দখল করেছে সেটি তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, আলী হোসেন ও আনোয়ার হোসেন গং নিয়মিত ভাবে ভূমিদস্যুতায় জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান- ৩/৪ মাস পূর্বে আলী হোসেন গং জোরপূর্বক ফিল্মী স্টাইলে হামলা চালিয়ে চাষাবাদরত হাজী মোক্তার আহমদের জমি থেকে উচ্ছেদ করে রাতের আঁধারে দখল নিয়ে নেয়। সে সময় হাজী মোক্তার গং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেন; পাশাপাশি ইদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার প্রতিবেদককে মুঠোফোনে জানান- পরিষদে মোক্তার গং নালিশ জানিয়েছিলো কিন্তু আদালতের অজুহাতে অভিযুক্ত আলী হোসেন গং পরিষদের বিচার মানতে নারাজ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে কোনো সুরাহা প্রদান করা সম্ভব হয়নি। উক্ত বিষয়ে পর্যবেক্ষণ জানতে চাওয়া হলে তিনি আরও জানান- প্রকৃতপক্ষে জমিগুলোর মালিক হাজী মোক্তার গং। কিন্তু আইনী দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ নিয়ে আলী হোসেন গং দফায় দফায় জমিটি দখল করে নিচ্ছে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares