রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

ইয়াবার বড়ো চালান নিয়ে পালংখালীর জুনায়েদ গ্রেফতার হলেও অধরা রয়ে গেছে মূল হোতা তালিকাভুক্ত আসামি সোনা মিয়া।

  • সময় শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে

নুরুল বশর উখিয়া

ইয়াবার বড়ো চালান নিয়ে পালংখালীর জুনায়েদ গ্রেফতার হলেও অধরা রয়ে গেছে টেকনাফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা কারবারি সোনা মিয়া। সারাদেশে যখন মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের আজলোচিত মাদক সম্রাটরা পুলিশ ও র‌্যাবের কথিত বন্ধুকযুদ্ধে মারা যাচ্ছে। ঠিক তখন বাংলাদেশের মাদকের রাজধানী হিসেবে খ্যাত কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলাতে মাদক বিরোধ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এই পর্যন্ত তিনশত এর বেশি বন্দুক যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে এর পরে ও । মাদক সম্রাটরা এলাকাতেই অবস্থান করছে। এনিয়ে এলাকাতে সমালোচনার ঝড় বইছে।

প্রশ্ন উঠেছে উখিয়া মধ্যে পালংখালী ইউনিয়ন মাদকের প্রচুর বদনাম রয়েছে। আমরা বাইরে গেলে এলাকার নাম বললে ইয়াবার এলাকার লোক বলে আখ্যা দেয় তখন আমাদের চোখে মুখে কালি পড়ে। আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীয় রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে তল্লাসী চালিয়ে অনেক ভাল লোক কেউ বিব্রত কর অবস্থায় পড়তে হয়।

যদি প্রকৃত অর্থে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয় তাহলে বাংলাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম পালংখালী মাদক সম্রাটদের ধরতে অভিযান চালতে হতো। এলাকার লোকজনের আশা শীঘ্রই পালংখালী মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক সম্রাট ও তাদের সহযোগিদের আইনের আওতায় আনা হোক।

দেশে মাদকের চাহিদার বড় অংশ ঢুকে পালংখালী আঞ্জুমান পাড়া রহমতের বিল সহ উখিয়া উপজেলা সীমান্ত দিয়ে। এখানে অন্তত দুই শতাধিক বড় বড় মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে, যারা প্রতিদিন মিয়ানমার থেকে লাখ লাখ ইয়াবা পাচার করে আনেন। তাই ‘মাদকের রাজধানী’ নামেই সীমান্ত ঘেঁষা এই উপজেলাকে চেনে দেশের মানুষ। উখিয়া টেকনাফ রয়েছে কয়েক একটি গ্রামের নাম ‘‘ ইয়াবা গ্রাম’’।

অথচ সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হলেও উখিয়া উপজেলায় কোনো প্রভাব নেয়। চলছে না মাদক বিরোধী অভিযানও। অন্য সময়ের তুলনায় এখান থেকে মাদক উদ্ধার ও বেশি মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারের সংখ্যাও কমেনি। যেমন পালংখালী গ্রামের জুনায়েদ ও যিসান গ্রেফতার হয় চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে ২৪ হাজার ইয়াবা নিয়ে কিন্তু রয়ে গেছে মূল হোতা টেকনাফ উপজেলার তালিকা ভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা গডফাদার সোনা মিয়া পিতা মৃত্যু হাবিবুর রহমান বরই তলি গ্রাম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ সহ সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরুর পর অধিকাংশ মাদকের গডফাদাররা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বরং এলাকাতে থেকে আত্নগোপন করে মাদক ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে। অন্তরালে থেকে আগের মতো এখনও টাকার বিনিময়ে তাদের ইয়াবা সীমান্ত থেকে আনা থেকে শুরু করে সংরক্ষণ এবং ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। ধাপে ধাপে কয়েকজন মিলে করছেন এই কাজ। ফলে এখনও টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে আসছে প্রতিনিয়তে ইয়াবা এসে চলে যাচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা তালিকায় টেকনাফ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে রয়েছে টেকনাফ উপজেলার বরই তলীর সোনা মিয়া, এবং তাহার সহযোগী হিসেবে রয়েছে চকরিয়ার পারভেজ নামে এক সহযোগী হওয়ার সুযোগে সে বিভিন্ন জায়গাতে তদবির করে ঢাকা গাজীপুর নিজস্ব প্লেট বাড়িতে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। অনুসন্ধানে জানাগেছে ঢাকা গাজীপুর, কক্সবাজার, টেকনাফ তিনবাড়ী গাড়ি জমিজমা নানান ধনসম্পদ গড়ে তুলেছেন।

সকল গোয়েন্দা সংস্থার তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার মূলহোতা মাদক সম্রাট সোনা মিয়া এবং জুনায়েদ এর ইয়াবার মূল হোতা তিনি গাড়ি টা ছিল তাহার স্ত্রীর নামে গোপন সুত্রে জানা যায় ইয়াবা নিয়ে জুনায়েদ ও জিসান গ্রেফতার এর পরে তাদের ফ্যামলিতে নিয়ে আসা হয় সোনা মিয়া কে পরে জুনায়েদ আর জিসানের জামিনে মুক্তির কিছু টাকা বিকাশে নিয়ে এবং একটি চুক্তি নামা করে চলে যায় বলে জানা যায় জুনায়েদ এর ভাই ইব্রাহিম থেকে এবং পরে সোনা মিয়া সাথে এই নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন তাহার একা নয় এই ইয়াবা সিন্ডিকেট গুলো আমার আরও এক সহযোগী রয়েছেন বলে এবং আমি একজন গরু ব্যবসায়ী আমাকে তারা নিয়ে নাজেহাল করেছেন এবং আমার একটি দামী মোবাইল রেখে দিয়েছেন সেইটাতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এবিষয়ে উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল মনসুর জানান ইয়াবা নিয়ে গ্রেফতার দুইজন আমার থানার কিন্তু মূল হোতা সোনা মিয়া এলাকায় থাকেন না সেই একজন গডফাদার ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় থাকেন আইনের আওতায় আনা হবে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares