রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

উখিয়া কুতুপালংয়ে গুটি মফিজের আস্তানায় পুলিশের হানাঃ স্ত্রী ফাতেমা ইয়াবাসহ আটক মুফিজ পালাতক

  • সময় শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

ফলোআপ

দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জের

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ইউনিয়নের মোঃ মফিজের বিরুদ্ধে  নান অপরাধ মুলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ বহু দিনের। কুতুপালং রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় মুফিজের অপরাধের মাত্রা দিনদিন সীমা অতিক্রম করলে অতিষ্ট হয়ে পড়ে সাধারান মানুষ। দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় মফিজের অপরাধের কর্মকান্ড নিয়ে ধারাবাহীক রিপোর্ট প্রকাশিত হলে তার আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশ। মুফিজ অভিযানের খবর পেয়ে পালিয়ে গেলে ও তার স্ত্রীকে ইয়াবাসহ আটক করেছে বলে জানা গেছে।

তথ্যসুত্রে গত শুক্রবার মধুরছড়া পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ মুফিজের আস্তানায় অভিযান চালায়। মুফিজ সংবাদ পেয়ে পলিয়েছে বিধায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তার আস্তানা তল্লাসী করে ৩১৬ পিস ইয়াবাসহ তার স্ত্রী নুর ফাতেমাকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ইউনিয়নের লম্বাশিয়া গ্রামের মৃত বদিউর রহমানের পুত্র  মোঃ মফিজ আলীশান ঘর তৈরী করে ওখানে মাদক ও পতিতা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বহুদিন ধরে। লস্বাশিয়া এলাকায় ডুপ্লেক্স বাড়ী তৈরী করেছে মফিজ। ঐ বাড়ীতে প্রতিনিয়ত চলে মদ গাজা জুয়া পতিতা ও ইয়াবার আসর। অভিযোগের সুত্রমতে, মফিজ বিয়ে করেছে ২০টারও অধিক নারীকে। তার মধ্যে রোহিঙ্গা নারীর সংখ্যা বেশী বলে জানিয়েছে এলাকার লোকজন। বর্তমানে তার ৩টি বউ রয়েছে। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ডি ৪ এর পাশে টাওয়ারের সাথে বিল্ডিং ঘরে থাকে এক বউ। কুতুপালং রাস্তার মাথায় গ্রামের বাড়িতে থাকে বউ খতিজা বেগম। লম্বাশিয়া সদ্য ঘড়ে উটা ডুপ্লেক্স ভবনে বউ নুর ফাতেমাকে নিয়ে থাকে নানা  অপর্কমের হোতা মফিজ।

সুত্রে জানাযায় মফিজ লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ভিতরে সরকারী বন বিভাগের জায়গা দখল করে আরো দুটি পাকা ভবন নির্মান করেছে। মফিজ, বউ নুর ফাতেমার মাধ্যমে রোহিঙ্গা নারীদের সংগ্রহ করে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। তার ঐ ঘর গুলোতে রয়েছে একাধিক গোফন কক্ষ। ইয়াবা সেবীরা ঐ গোফন কক্ষ গুলোতে প্রতিনিয়ত ইয়াবা সেবন ও যৌনললসায় নিম্মজীত থাকে কঠোর নিরাপত্তায় । উখিয়া থানা পুলিশের হাতে এই অপকর্মের মুল হোতা মফিজ একাধিকবার আটক হলেও আইনের ফাক থেকে বের হয়ে এসে পুনরায় শুরু করে নান অপকর্ম।

কুতুপালংয়ের সচেতন মহলের দাবী মফিজকে আইনের আওতায় এনে যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে বাচান। উখিয়া থানা সুত্রে জানান, আমরা মফিজকে  কোন মুহুর্ত আটক করব। তার স্ত্রীকে আটক করেছি।  অপরাধী যেই হোকনা কেন তাকে আইনের আওতায় আসতে হবে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares