বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

সিএনজি ড্রাইভার থেকে ইয়াবা ডন-শামসুল আলম (পুতু)

  • সময় মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

ইয়াবা ব্যবসার মূল কেন্দ্র এখন কক্সবাজারের টেকনাফ। এখান থেকেই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে সর্বনাশা এই মাদক। এই ব্যবসার মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয় মুঠোফোন, মুঠোফোনেই চলে টাকা লেনদেন সহ পাচারের নানা কৌঁশলের আলাপচারীতা।

এভাবে ঢাকা সহ নির্ধারীত ঠিকানায় পৌঁছে যায় ইয়াবার চালান। লেনদেনও এখন অনেক সহজ, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক একাউন্টে তথ্য গোপন করে এসব টাকা লেনদেন হয়। মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হওয়াতে এটা আরও সহজ হয়ে যায় চোরাচালানকারীদের জন্য, দ্রুত টাকা চলে যায় তাদের হাতে। এভাবেই পালংখালী থেকে প্রতিনিয়ত ইয়াবার চালান ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকাসহ সারা দেশে।

আর্থিক, সামাজিক, মানসিক সহ নানা ভাবে ইয়াবা মাদকের আগ্রাসন দেশজুড়ে। বছরে এই বড়ি/ ট্যাবলেট বিক্রি হচ্ছে ৪০ কোটির মতো, যার বাজারমূল্য প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা (প্রতিটি দেড় শ টাকা দাম হিসেবে)। এই টাকার অর্ধেক’ই চলে যাচ্ছে ইয়াবার উৎসভূমি মিয়ানমারে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার শুরু হয় ২০০৬ সাল থেকে।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ঠিক ওপারেই মিয়ানমারের অবস্থানের কারণে এই স্থানটি ইয়াবা পাচারের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। ফলে উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়েই চলছে ইয়াবার জমজমাট ব্যবসা। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে এর মূল ব্যবসায়ীরাও থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সেই সুবাদে পালংখালীর সিএনজি অটোরিক্সা ড্রাইভার থেকে এখন কয়েকটি সিএনজির মালিক আবদুল গফুর ভুলু’র পুত্র শামসুল আলম প্রকাশ গোরা (পুতু)। তাঁর সহযোগী হিসেবে কাজ করছে তাঁর ভাই আবু তাহের, তাদের গডফাদার বটতলী গ্রামের নুর মোহাম্মদ ও তাঁর ডান হাত হিসেবে কাজ করছে গোরা পুতু।

স্থানীয়রা মনে করেন, গোরা পুতু কে গ্রেফতার এ বেরিয়ে আসবে নুর মোহাম্মদ এর ইয়াবা সিন্ডিকেট তৈরীর সব গোপন তথ্য।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares