বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

কাটাখালীতে ছদ্মবেশে ইয়াবা ব্যবসাঃ নেপথ্যে ইয়াবা ছগীরের ছেলে আবছার।

  • সময় শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদন।

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের
কাটাখালী গ্রামের আবছার বাবার ইয়াবার চালান বহন করতে গিয়েই এখন নিজেই বড় ইয়াবা কারবারি হয়ে পড়েছে, রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক এড়াতে বিভিন্ন জনকে কৌঁশলে ম্যানেজ করার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় দানবীর সেজে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের ছগীর আহাম্মদের ছেলে আবছার নিজ গ্রামে তৈরী করেছেন ইয়াবা সিন্ডিকেট। তার বাবা ছগীর একজন শীর্ষ ইয়াবা কারবারি। সম্প্রতি তার ইয়াবা সহকারি মমতাজ চট্টগ্রামে আট হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক হয়, সেই মামলায় আসামি আবছার নিজেও।

সর্বনাশা ইয়াবা চোরাচালান বৃদ্ধি পাওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার ক্ষীণ থাকার সুযোগে কৌঁশলে চিহ্নিত কিছু ইয়াবা গডফাদারদের চালান বহন শুরু করে। অবৈধ পথে সহজ আয়ের সুবাদে এক সময় সে নিজেই বড় ইয়াবা কারবারি হয়ে পড়ে। অবৈধ টাকার গরমে তার বেপরোয়া চলাফেরা সর্বসাধারণ সহ আইনশৃৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে পড়ে। গত বছর টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করেছিল, পরবর্তীতে তার সহযোগী লুৎফর রহমান ছাড়িয়ে আনেন টাকার বিনিময়ে।

পুলিশ অভিযানের পর আলোচিত আবছার স্বপরিবারে কাটাখালী কোনার পাড়ার দূর্গম এলাকায় চলে যায়। আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা মাদক বিরোধী অভিযানে উক্ত এলাকায় কয়েকবার হানা দেওয়ার পর আবছার আত্মরক্ষার্তে কাটাখালী এলাকায় আশ্রয় নেয়, পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে আশ্রয়দাতাদের সহযোগিতায় সেখানেও মাদক ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে। উক্ত এলাকায় জনপ্রিয় হওয়ার জন্য বিভিন্ন সামাজিক কাজে ও অনুষ্ঠানে দুহাতে টাকা খরচ করছে। আবছার এর অন্যতম ইয়াবা সহযোগী জুবাইর ও বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। প্রতিনিয়ত ইয়াবা নিয়ে আটক হলেও অত্রএলাকার অপরাধীরা মৃত্যুর পরোয়া করছে না। এলাকাটি বর্তমানে মাদক চোরাচালান,সেবন ও বহনের নিরাপদ ঘাঁটি হওয়ায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে।

পাশ্ববর্তী এলাকার কয়েকজন মুরুব্বী বলেন, কাটাখালী এলাকায় যে হারে মাদকসেবী ও মাদক চোরাচালান বাড়ছে যেন দেখার কেউ নেই। এলাকার স্থানীয় অনেক পরিবারের সদস্যরাও অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় এই বিষয় নিয়ে তেমন কারো অভিযোগও নেই, ফলশ্রুতিতে পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares