বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ০২:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

টেকনাফ শিলখালী কৃষিজমি ও পর্যটন এলাকায় ফায়ারিং স্কোয়াড চায়না এলাকাবাসী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :-
টেকনাফ বাহার ছড়া উত্তর শিলখালী মৌজায় মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন পূর্ব পাশে বিএস সৃজিত খতিয়ান, ১৯০১,১৩৯৬,১৭১০,১৮৪০ এর বিএস দাগ নং,৩০৫৯, ৩০৭০, ৩০৭২, ৩৩৭৪,৩৩৭৩ দাগে জমির মালিক শুধু জাফর আলম গং এর একার প্রায় ১৪ বিঘা জমি পড়েছে এছাড়া আরো বিভিন্ন জমির মালিকের রয়েছে ২৭ কানি জমি যেখানে সেনাবাহিনী ৩৩ কানি জমির উপর কথিত ফায়ারিং স্কোয়াড করবে বলে নোটিস প্রদান করেছেন।অথচ বিএস ৩০৫৯ দাগ থেকে উত্তরে প্রায় ৩০ কানি জমি সেনা কল্যাণ ট্রাস্টের কিনা আছে এর আরো উত্তর একে খানের বিশাল জমি রয়েছে, ফায়ারিং স্কোয়াড করতে হলে সেই জমিতে করা যায় যে জমি গুলো সেনবাহিনীর কিনা এবং একে খানের মত বিশিষ্ট শিল্পপতির জমি রয়েছে সেখানে বিবেচনা করা যায়। এলাকার সাধারণ গরীব কৃষক জনগণের কৃষি জমি কেন সরকার চাইবে?এই কৃষির জমির চাষাবাদ থেকে কৃষক পরিবারের ছেলেদের পড়ালেখার খরচ আসে,জমির মালিক জাফর আলমের দুই ছেলে একজন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং আরেকজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তার খরচ আসে জমির চাষ ও রায়তি থেকে।তাড়াছাড়া ফায়ারিং স্কোয়াড যদি এই গণবসতিপূর্ব গ্রামে করা হয় তাহলে উত্তর শিলখালী এলাকারর মানুষের কাঁচা পাকা বাড়ি ঘর ফেটে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে তৈরি ব্যস্তময় মেরিনড্রাইভের ক্ষতি ব্যাপক ক্ষতি ও পর্যটকদের চলাচলে অসুবিধা হতে পারে।এলাকার শত শত বসবাসকারী জনমানবের বিশেষ ক্ষতি হবে পারে।এলাকায় মৎস্য নির্ভর মানুষ সাগরে যাবা রাস্তা পাবে না। কারণ এখন যে বিশাল জায়গায় ফায়ারিং স্কোয়াডের নামে জমি দখলের চেষ্টা চলছে তার উত্তর সাইটের ৩০ কানি জমি সেনা কল্যাণের দখলে আবার দক্ষিণে ৩০৮৬ দাগের পর থেকে চৌকিদার পাড়া পর্যন্ত মেরিনড্রাইভ থেকে পূর্ব ১ কিলোমিটার দূরে আরেক বিশাল জমির প্লটে অন্য সেনাবাহিনী ইউনিট কি যেন কারার প্লানিং করছে।অথচ শিলখালী মেরিন ড্রাইভের পশ্চিম পাশে উত্তর দিকে পুরান পাড়া মেরিনড্রাইভের সংলগ্ন পশ্চিমে সরকারি খিলা জমি রয়েছে প্রায় ৫শ বিঘা থেকে বেশি। ফায়ারিং স্কোয়াড করলে মেরিনড্রাইভ পশ্চিম পাশে পড়ে থাকা অপ্রয়োজনীয় শত শত কানি জমিতে করা যায় তাতে কাউকে কোন ক্ষতি পূরণ দিতে হবে না সরকারের শত কেটি টাকা বেঁচে যাবে সাথে বাচঁবে উপকূল বাঁচবে ঐতিহ্য সম্বলিত গ্রামীণ প্রান্তিক কৃষক। এখানে জমির মূল মালিক মৃত মুছা আলী ১৯৩৭ সালে বৃটিশ ভারতের সময়ে ঐ জমি গুলো ভোগ দখল করে। সেই থেকে এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার, স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারে রাজস্ব দিয়ে আসছে। ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইনের পর মায়েনমার আলাদা হয়েছিল সেই তখন থেকে সময়ের বিভিন্ন সরকাররের জরিপ- সি.এস. বা ক্যাডাস্ট্রাল জরিপে ১৮৮৯-১৯৪০ সালে তখনকার বৃটিশ সরকারকে যথাযথ কাগজ পত্র সামিট করে নিজের জায়গা সম্পদ প্রমাণ করছিলেন।এরপর ১৯৫০ সালে প্রজাস্বত্ব আইনে ১৯৬৫-৬০ সালে সরকার পাকিস্তান সরকারকে নিজের জমির প্রমাণ করে তারপর আর.এস ( Rivisional settlement)জরিপে প্রমাণ করে জমির রাজস্ব প্রদান করেছেন এমনকি ১৯৭২-৭৩ বঙ্গবন্ধুর সময় এল আর করেন তখনো নিদিষ্ট কাগজ পত্র সামিট জমির হিসাব দিয়েছেন যদিও তখন একজন নাগরিক ৮ একর ২৫ শতক জমি একজন নাগরিক ভোগ করতে পারত। সবশেষে ১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে চলমান বিএস জরিপে ভুক্তভোগী আলী আকবরের দাদা নুর মোহাম্মদ সিকদার নামে বিএস হয়। নুর মোহাম্মদ সিকদার লোকান্তরে তার পুত্র জাফর আলম ওয়ারিশ সূত্র মালিক হয়। বর্তমানে বিএস সৃজিত খতিয়ানের মালিক জাফর আলমের পুত্রগণ যার বর্তমান খতিয়ান নং ১৯০১,১৮৪০,১৭১০ তাদের পূর্ব পুরুষ থেকে শুরু করে প্রায় ১শ বছরের ঐতিহ্য এই কৃষি জমি গুলোর ঐতিহ্যের ও জীবীকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন ভোক্তভোগীদের৷এই জমি গুলো দখল হয়ে গেলে কৃষক পরিবারের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা উত্তর শিলখালী এলাকাবাসী যথাবিনিত সম্মানের সহিত সংশ্লিষ্ট আর্টিলারি সেনানিবাসের দায়িত্বরত জিওসি মহোদয় ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয়ের নম্র দৃষ্টি আকর্ষণ করি গরীব কৃষকদের জমিতে ফায়ারিং স্কোয়াডের অনুমতি প্রদান না করার জন্য সহযোগিতা প্রার্থনা করছি।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares