বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ০২:১৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

আমি দূর্নীতি প্রশ্রয় দেইনা বলেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র -পংকজ নাথ

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

পলাশ দাস (হিজলা-বরিশাল)
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ বলেছেন, একটি চক্র দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে সংঘবদ্ধভাবে চক্রান্ত করছেন। যারা অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্নভাবে দলে ঢুকিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করছেন, যারা মনোনয়ন বাণিজ্য করে আয় করছেন তারাই আমার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করছে। ৬ নভেম্বর বুধবার বেলা ১২ টায় পাতারহাট বন্দর সংলগ্ন শহীদ মিনার চত্ত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। প্রতিহিংসার বর্হিপ্রকাশ হিসেবে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ব্যাক্তি। আপনাদের জানতে হবে সে কে? তার গুরুত্ব দলে কতটুকু? এই চক্রান্তকারীদের আমি শাস্তি চাই। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করে যারা লাভবান হচ্ছে তারাই আমার প্রতিপক্ষ।
পঙ্কজ বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আমি নাকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করেছি। কিন্তু যিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী তিনি তো ভোট চাননি দোয়া চেয়েছেন। যা নেতাকর্মীরা আমাকে বলেছেন। এরপর দেখলাম আমি তার জন্য বিভিন্ ইউনিয়নে ভোট চেয়েছি; কিন্তু সে শুধু দোয়াই চেয়েছেন। আর আমি যখন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করছি, তখন তিনি ঢাকায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ নিয়ে ঘুরছেন।
তিনি বলেন, এমনকি ভোটের দিন তিনি এজেন্ট না দিয়ে নেত্রী ও দলের সাথে প্রতারণা করেছেন। কোন ব্যানার পোষ্টার না লাগিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও দলের অন্য নেতারা যারা এমপি না তারা কেন নির্বাচনে মেহেন্দিগঞ্জ আসলেন না প্রশ্ন করে পঙ্কজ নাথ বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগকে নিয়ে আপনারা কোন কাজ করেননি। আমি একাই লড়েছি। আপনারা চক্রান্তে ব্যস্ত ছিলেন। চক্রান্ত না করে দলের প্রার্থীর জন্য মাঠে নামলে দলের প্রার্থীর ভরাডুবি হতো না। আমি তো সংসদ সদস্য, নির্বাচনে প্রচারনায় আসলে আচরণ বিধি লঙ্ঘন হবে।
কিন্তু নির্বাচনের তিনদিন আগে বরিশালে বসে প্রার্থী প্ররোচনা দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করা হলো। কিন্তু কেউ কেন্দ্রে এলেন না। আবার যারা কেন্দ্রীয় রাজনীতি করেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তারা কেন ভোট দিতে আসলেন না? তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি প্রতিটি মানুষের উৎস প্রকাশ্যে আসা উচিত। আমার আয়ের প্রধান উৎস বিহঙ্গ পরিবহনের চেয়ারম্যান আমি। যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভ্রান্তকর তথ্য দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ২ টি নির্ধারিত রুটে এ পরিবহনের ৫০-৬০ টি বাস চলাচল করে, যারমধ্যে ১ টি বাস আমার, বাকিগুলোর আরো ৪০ জনের মতো মালিক রয়েছেন। আমার গার্মেন্টস ব্যবসা ছিলো এখন নেই। আর আমার যে বাড়িঘর বা সম্পদ রয়েছে তার অধিকাংশই পৈত্রিক সম্পদ। এককথায় আয় বহির্ভুত বা গোপন রাখার মতো কোন সম্পদ আমার নেই।
তিনি আরো বলেন ঢাকা উত্তরায় আমার মায়ের নামে একটি বাড়ি রয়েছে, ঐ বাড়ির জমি ১৯৯৮ সালে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হিসেবে সরকার এই জমি দিয়েছিল, তা মায়ের আয়কর তথ্য বিবরনীতে দেখানো আছে এমনকি ঐ বাড়িটি ব্যাংক লোনের মাধ্যমে করা হয়েছে।
আমার সম্পদের সকল হিসাব আয়কর তথ্য বিবরণীতে দিয়েছি। আর দেশের বাহিরে সম্পদ করার মতো অর্থ আমার নেই। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে সঞ্জয় নামে যে ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে, তিনি আগেও বহুবার করেছে। সে নিজ ইউনিয়নে আমাদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছেন। যে কারনে তাকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিষ্কৃত করা না হলেও আমরা কিন্তু সেচ্ছাসেবকলীগ থেকে বহিষ্কার করেছি। সে যে বরিশাল বসে আমার বিরুদ্ধে বার বার মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে, তাকে কারা ইন্দোন দিচ্ছে সেটা কি দেখা উচিত নয়? সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন , উপজেলা ও ইউনিয়নের সভাপতি সম্পাদকসহ মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলার ১৫ জন চেয়ারম্যান

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares