বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১১:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

ওরা কয়জনকে থামিয়ে দিলে উখিয়ায় অনেকাংশে কমে যাবে ইয়াবাঃ সচেতন মহলের ধারনা

  • সময় বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

মিয়ানমার সীমান্তবর্তী উখিয়া সীমান্তের দরগাবিল, ডেইলপাড়া, ডিগিলিয়া, করইবনিয়া, হাতিমুরা সীমান্তের একছত্র নিয়ন্ত্রন এখন কয়েকটি সিন্ডিকেটের হাতে। সুত্রে জানা যায়,   পত্রিকায় বিভিন্ন সময় এইসব সেন্ডিগুলোর নাম এলেও বারবার অদৃশ্য কারনে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। ফলে সীমান্ত এলাকার ইয়াবা বানিজ্য বন্ধ হয়না কিছুতেই। প্রতিদিন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে উল্লেখিত এলাকা গুলো দিয়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে গিয়ে ইয়াবা নিয়ে আসে। এবং রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও চলে প্রতিনিয়িত এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

জানা গেছে, সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোহিঙ্গাদের সহায়তা দিয়ে যায়। সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ডেইল পাড়া গ্রামের সাব্বির আহামদের পুত্র জসিম উদ্দিন, ফরিদুল আলমের পুত্র জাফর আলম, কবির আহামদের পুত্র জানে আলম জুনু, মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র রকিব আলম, আলী আহামদের পুত্র মুফিদ আলম, দক্ষিণ ডেইলপাড়া গ্রামের সুলতান আহামদের পুত্র শামশুল আলম, ছমি উদ্দিনের পুত্র মনছুর আলম, হোছন আলীর পুত্র আনোয়ার, ছৈয়দ নুরের পুত্র মামুন, নুর আলীর পুত্র লোকমান হাকিম, পূর্ব ডিগিলিয়া গ্রামের নুর আহামদের পুত্র জয়নাল, সোলতানের পুত্র ছৈয়দ আলম, ওলা মিয়ার পুত্র মরা ছৈয়দ, রত্নাপালং করইবনিয়ার আলী আহাম্মদের পুত্র নুরুল আমিন, বর্মাইয়া রফিক, মৃত আলী ফকিরের পুত্র মোঃ ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, ফকির আহাম্মদের পুত্র আলী হোছন, লোড়া আকবরের পুত্র ওসমান, মাতুর পুত্র রাসেল ও রুবেল, দুদু মিয়ার পুত্র আনোয়ার ও আলেকীন প্রমুখ।

সিন্ডিকেটের এসব সদস্যদের সাথে রয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক কানেকশন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা নিয়ে গিয়ে রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসে ক্যাম্পে। পরে সুযোগ বুঝে মজুত করা ইয়াবা পাচার করা হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ইতিমধ্যে সিন্ডিকেট সদস্যরা ইয়াবা বানিজ্য করে শুন্য থেকে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছে। রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর বলেন, প্রতিদিনই ইয়াবা নিয়ে গ্রেফতার হচ্ছে পাচারকারীরা। আমি উখিয়া থানায় যোগদান করার পর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করেছেন। তাই উখিয়া থানায় মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন। আমি ইতিমধ্যে বলে দিয়েছি, হয় মাদক ছাড়তে হবে,না হয় উখিয়া ছাড়তে হবে। মাদক ব্যবসা করে কেউ উখিয়া থাকতে পারবেনা।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares