শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

রোহিঙ্গা রশিদ উল্লাহ মুক্তিযুদ্ধার সন্তান দাবি

  • সময় রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক::
রোহিঙ্গা রশিদ উল্লাহ মুক্তিযুদ্ধার সন্তান দাবি, মিঠাছড়ি তাঁতীলীগের সভাপতিও বটে। মিয়ানমারে নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে ঠাই হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গা,
ক্যম্পের বাহিরে তাদের বিচরণের বিধি নিষেধ থাকলেও বাংলাদেশের প্রত্যন্ত জেলায় রোহিঙ্গাদের বিচরণ যেন লক্ষ্যণীয় কোনভাবেই থামছেনা। তাদের অবাধ বিচরণ এর মধ্যেই অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশী ন্যাশনাল আইডি ও পাসর্পোট সংগ্রহ করেছে যা রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে দাড়াতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
এই রোহিঙ্গা রশিদুল্লাহ কিছু অসাধু জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতায় মোটা অংকের টাকা দিয়ে কাগজপত্র জোগাড় করে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার এক মাত্র প্রমাণ এন আইডি হাতিয়ে নেয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সাগর পথে মানবপাচারের। সে একসময় টেকনাফ থেকে সাগর পথে মানবপাচার করে কোটি কোটি আয় করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছে। যখন সরকার মানবপাচারের কঠোর অবস্হানে যান ঠিক তখনি রশিদুল্লাহ গা ঢাকা দিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায়। যখন দেশের পরিস্হিতি একটু শীতল হয়ে আসে তখনি বিদেশ দেশে এসে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে যায়। এখন সে ইয়াবার আর্শিবাদে কোটিপতিদের একজন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক একজন জানান,বছর দেড় বছর আগে পুলিশের সোর্স এর কাছে ইয়াবা বিক্রি করার কথা বলে সব ঠিকটাক করে। ইয়াবা ও টাকা আদান প্রদান এর স্হান ঠিক করা কক্সবাজার বড়বাজার মসজিদের সামনে।কথামত রশিদুল্লাহ একটি শপিং ব্যাগে করে ইয়াবা নিয়ে আসে পরে পুলিশের উপস্হিতি টের পেয়ে কৌশলে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।তার বিরুদ্ধে স্হানীয়দের অভিযোগ, সে অসাধু কিছু বনকর্মকর্তাদের হাতে নিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অনেক সরকারী জায়গা দখল করে নিয়েছে।আর এই দখলকৃত সরকারী জায়গার কিছু অংশ তার আত্নীয়সজনদের বিক্রি করে তাদের বসবাস করার সুযোগ করে দিয়েছে।

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করায় দেশের স্বার্থে
দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় ধরে কক্সবাজার সহ কয়েকটি জেলায় অনলাইন জন্মনিবন্ধন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার,
কিন্তু এর পরেও তাদের মোটা অংক টাকার কাছে সরকারের এই পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে কিছু অসাধু সরকারি কর্মচারী।

বাংলাদেশের কিছু অর্থলোভী দুর্নীতিবাজরা যখন নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তা অবৈধ অর্থের লোভে রোহিঙ্গাদের মোটা অংকের দিকে তাকিয়ে থাকে তখন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গারা তাদের স্বার্থ আদায় করে নেয়,এমন অপরাধের চিত্র উঠে এসেছে কক্সবাজার জেলার রামু মিঠাছড়ি ইউনিয়নের নিজেরপাড়ায় বসবাস করা পুরাতন রোহিঙ্গা রশিদুল্লাহ মাঝির।

আরো জানা যায়,রশিদুল্লাহ মানুষের কাছে পরিচয় দেয় সে নাকি বাংলাদেশ আওয়ামী তাঁতীলীগের রামু মিঠাছড়ি ইউনিয়ন সভাপতি।সচেতন মহলের দাবি,একজন রোহিঙ্গা নাগরিক কিভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাই তা খতিয়ে দেখার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্শন করেন।

এই রোহিঙ্গা রশিদুল্লাহ কে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে অবৈধ অর্থ সহ এনআইডি সংগ্রহের বিস্তারিত সন্ধান পাওয়া যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
এই ব্যাপারে জানতে রশিদ উল্লাহ কে ফোন দিলে তিনি জানান, তার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার বিরুদ্ধে কিছু চিন্হিত ব্যক্তি শত্রুতামি করছে। সে মিঠাছড়ি তাঁতীলীগের সভাপতির দায়িত্বে আছে।

তার পিতার মুক্তিযুদ্ধা সনদ সহ দেখা করার কথা বললে তিনি আর ফোন কেটে দেন। তার দাবি সে মিঠাছড়ি ইউনিয়নের সন্তান অথচ তার এনআইডি পটিয়ার। পরের দিন ফোন রিসিভ করেনি। তবে তার কথার ভাষ্যমতে রোহিঙ্গাদের আচরন সম্পুর্ন বোঝা গেছে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares