বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

৩৫ বিঘা জমির ওপর সাকিবের কাঁকড়ার খামার

  • সময় শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক- ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন রাখায় সাকিব আল হাসানকে সবধরণের ক্রিকেটে এক বছর নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। যদিও প্রথমে নিষেধাজ্ঞাটা ছিল দুই বছর। তবে তিনি দায় স্বীকার করে নেয়ায় এক বছর শিথিল করা হয়।

এসময়ে ফের অপরাধ করলে আগের শাস্তি বহাল থাকবে তার। তবে সাকিবের নিষেধাজ্ঞা মেনে নিতে পারছেন না দেশের ক্রিকেটভক্তরা। এক বছর ক্রিকেটে প্রিয় তারকাকে দেখতে পারবেন না তারা।

এদিকে দীর্ঘ এই সময়টা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার কীভাবে পার করবেন সেই প্রশ্ন এখন সবার। সেটি জানতে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আগ্রহের কমতি নেই।

অনেকেই বলছেন, বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার ক্রিকেট মাঠে আলো ছড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন সেক্টরে ব্যবসা-বাণিজ্য খুলেছেন। রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা রয়েছে তার।

এরই মধ্যে জানা গেল সাকিব আল হাসানের আছে কাঁকড়ার খামার। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দাতিনাখালি এলাকায় একটি কাঁকড়ার খামার গড়ে তুলেছেন সাকিব। যার নাম দিয়েছেন ‘সাকিব অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড’। ৩৫ বিঘা জমির ওপর এই কাঁকড়ার খামার গড়ে তুলেছেন তিনি।

এটির সুপারভাইজারের দায়িত্ব পালন করেন তৌফিক রহমান। তিনি জানান, সাকিবের নিষেধাজ্ঞার খবর শুনার পর তাদের সবারই মন খারাপ। এখন খামার বন্ধ।

বছরে ছয়মাস চালু থাকে খামারটি। বাকি ছয় মাস পুকুর খনন এবং অন্যান্য কাজ করা হয়। সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করা হয়। পরে সেগুলো প্রসেসিং করে বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বেশ কয়েকবছর আগে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান আমার এই ওয়ার্ডের ভিতরে কাঁকড়ার খামার গড়ে তুলেন। আমার এলাকার প্রায় ১০০ মজুর কাজ করে খামারে। সাকিবের খামারের কারণে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাকিব ভাই এখনো ফার্মে আসেননি। তবে আসবেন বলে মনস্থির করেছিলেন। এর মধ্যে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে আর আসা হয়নি। সুন্দরবনের কাঁকড়া যে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব তা স্থানীয় কারো মাথায় আসেনি। সাকিব সেটি করে দেখিয়েছেন। ক্রিকেটার মতো ব্যবসাতেও সেরা সাকিব।’

উল্লেখ্য, চার বছর আগে শুরু হলেও তিন বছর আগে থেকে সাকিবের এ ফার্মের কার্যক্রম চালু হয়েছিল। ফার্মের জন্য সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করা হয়। শীতের তিন মাস কাঁকড়া পাওয়া যায় না, পাশাপাশি আরও দুই মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকে। সব মিলিয়ে ছয় মাস বন্ধ থাকে, আর ছয় মাস পুরোদমে ব্যবসা চালু থাকে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares