মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

পেকুয়ায় বিধবাসহ দু’গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক-১

  • সময় বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত ডেস্কঃ

পেকুয়ায় দু’নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। একদল মুখোশ পরিহিত অজ্ঞাত দুবৃর্ত্তরা ওই দু’নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে পারিবারিক সুত্র নিশ্চিত করে। এদের মধ্যে এক নারী বিধবা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভিকটিম দু’গৃহবধূকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পুলিশ আলা উদ্দিন নামক এক ব্যক্তিকে আটক করে। তবে পুলিশ বলছেন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।

আটক ব্যক্তি জারুলবুনিয়া দক্ষিনজুম গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। ধর্ষিতা ওই দু’নারীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ভোরে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া দক্ষিণ জুম দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্র জানায়, ওই দিন ভোরের দিকে কয়েকজনের মুখোশ পরিহিত দুবৃর্ত্তরা পাহাড়ের দুর্গম স্থানে দুটি পৃথক বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এ সময় ওই বাড়ির দু’নারীকে উপর্যপুরি ধর্ষণ করে। ধর্ষিতা দু’নারীর মধ্যে একজনের বয়স ২৫ বছর। অপরজনের বয়স ৩২ বছর হবে। তবে ১ জন বিধবা বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা। পেকুয়া থানার পুলিশ দু’দফা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভোরের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ওই স্থানে পৌছে। দ্বিতীয় দফায় থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল আজমসহ সঙ্গীয় ফোর্স ওই স্থানে পৌছে। তবে এ বিষয়ে দু’ধরনের মন্তব্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানায়, গত ২ দিন আগে ধর্ষিতা ১ নারীর স্বামীকে স্থানীয়রা একটি বাড়ি থেকে আটক করে। এক গৃহবধূ ও ধর্ষিতা নারীর স্বামীর মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক হয়েছে। রাতে আপত্তিকর অবস্থায় পরকীয়া জুটিকে স্থানীয়রা আটক করে। জারুলবুনিয়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু তালেব জানায়, আলা উদ্দিনের স্ত্রী ও জসিম উদ্দিন নামক এক ব্যক্তির মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক ধরা পড়ে।

জসিম ও আলা উদ্দিনের স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা ধরে ফেলে। আগামী শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠকের দিনক্ষণ রয়েছে। আসলে দু’নারী ধর্ষণের ঘটনায় একজনের নাম বলছে। যার নাম বলছে তার স্ত্রী ও ধর্ষিতা এক নারীর স্বামীকে নিয়ে আমরা বৈঠক ডেকেছি। সমাজ কমিটির জয়নাল আবদীন, নুর মোহাম্মদসহ আরও কয়েকজন জানায়, বিষয়টি রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি। ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি আলী হোসেন জানায়, আসলে এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবতারনা দেখা দিয়েছে। ইউপি সদস্য আহমদ শফি জানায়, যার নাম বলছে ওনিতো এ রকম লোক না। পূর্বের ঘটনাকে ম্লান করতে এ ধরনের কাজ বলে আমি মনে করছি। পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানায়, আমি ওই স্থানে গিয়েছিলাম। আসলে ধর্ষণ কিনা বলা যাচ্ছে না। এরপরও স্পর্শকাতর বিষয়। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares