মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

অন্ধ দাদাকে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন মা হারা শিশু ইমন।কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ।

  • সময় বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

মিজানুর রহমান,মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

আল্লাহর কাছে আমি কি অপরাধ করেছি যে কারণে আজ আমাকে দু চোখ হারিয়ে পথে পথে ভিক্ষা করে বেড়াতে হচ্ছে,হে আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা করো,আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে প্রার্থনা জানাই হে আল্লাহ আপনি যদি আমাকে দুটি চোখ ভালো করে দেন তাহলে আমি ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়ে কাজ করে খাবো ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবো।হে আল্লাহ আমাকে ভালো করে দাও!এভাবেই দু চোখের পানি ফেলে কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলেন-ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ৬নং নেপা ইউপির মাইলবাড়িয়া ঢাকাপাড়া গ্রামের অন্ধ নাজিমউদ্দীন।

সে ৪০ বছর ধরে স্ত্রী এবং এক ছেলেকে নিয়ে মাইলবাড়ীয়া ঢাকাপাড়া গ্রামে বসবাস করে আসছেন।তার ভিটেবাড়ী টুকু ছাড়া আর কিছুই নাই।তার একটি মাত্র ছেলে জাহাঙ্গীর সেও ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে।গত দীর্ঘ কিছুদিন ধরে চোখের আলো হারিয়ে অসহায় হয়ে খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছেন ও সাহায্যের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ৫ বছরের মা হারা নাতি ইমন কে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন।

নাজিমউদ্দীন বলেন-বছরে শুধুমাত্র দুই ঈদে ভিজিএফের চাউল ছাড়া আজপর্যন্ত কোন সরকারি অনুদান আমি পাইনি,এমন কি প্রতিবন্ধী কার্ডও।
যেই ছেলেটির কাঁধে আজ থাকার কথা স্কুলের ব্যাগ সেই ছেলেটির কাঁধে আজ অন্ধ দাদার লাঠি।সবই নিয়তি।চোখের চিকিৎসার টাকা ও ক্ষুধার জ্বালায় অন্ধ দাদা,নাতি ইমনকে নিয়ে এভাবেই দুই একটা টাকার জন্য ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন। উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ,বিত্তবান ও হৃদয়বানদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন অন্ধ নাজিমউদ্দন।সে যেন চিকিৎসা করে চোখের আলো ফিরে পাই।নাজিমউদ্দিন আরও বলেন- আমার যদি চোখ দুটি ভালো হয় তাহলে আমি আমার নাতিকে নিয়ে আর ভিক্ষা করবো না তাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিবো।এবং আমি কাজ করে খাবো।আপনারা আমাকে সাহায্য করুন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares