শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

বিমানে এক বছরে লোকসান ২০১ কোটি

  • সময় শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আলোকিত ডেস্কঃ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মোহাম্মদ মাহবুব আলী বলেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড বিগত ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে পরপর তিন অর্থবছর লাভ করে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২০১.৪৭ কোটি টাকা লোকসান করে।২০১৭-১৮ সালে উড়োজাহাজের জ্বালানি তেলের মূল্য পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি, উড়োজাহাজের লিজ খরচ বৃদ্ধি, পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের সুদ বাবদ খরচ, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি, ককপিট ক্রুদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কারণে বিমানের লোকসান হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
নোয়াখালী-২ আসনের মোরশেদ আলমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক কিছু উৎসাহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশের আকাশ সীমায় আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিক্যাল সিস্টেম (ইউএভি-ইউএএস), রিমোট কট্টোল বিমান অথবা খেলনা বিমান উড্ডয়ন করছে। পাশাপাশি অনুমোদিত দেশী-বিদেশি বিমান, হেলিকপ্টার এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন সামরিক বিমান চলাচল করছে। ফলে যেকোন সময়ে অননুমোদিত উড্ডয়নকারী ড্রোনের সঙ্গে যেকোন সময়ে আকর্ষিক দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তবে, এখনো ড্রোনের সংখ্যা নির্ণয় করা হয়নি। সমগ্র বিশ্বের কাছে এটি নতুন একটি আবিস্কার।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় ড্রোন পরিচালনা ও আমদানির বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রস্তুতের লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় (বিপম), বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও দপ্তর/সংস্থা কাজ করছে। যা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। নীতিমালা চূড়ান্ত হলে ড্রোনের আকার, রেজিস্ট্রেশন ও উড্ডয়ন সংক্রান্ত তথ্যাদিসহ অন্যান্য বিষয়ও অন্তর্ভূক্ত থাকবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নীতিমালা প্রকাশের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারের কাছে ড্রোন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকবে বলে আশা করা যায়।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ