শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি’র ব্যাপক দুর্নীতির

  • সময় শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

এস.কে মাসুদ রানা:

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুমের গত দুই
বছরের ব্যাপক চাঁদাবাজির তালিকার মূখশ উম্মোচন হয়েছে। ঢাকা-সিলেট ও
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সকল শ্রেনীর পরিবহন মাশোহারা ও সড়ক পথের পাশে
থাকা অবৈধ ফুটপাত বসিয়ে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে
নিচ্ছে। ওসি’র অভিযুক্ত দুর্নীতির উৎকোচ বাণিজ্যর শতাধিক পরিমান প্রমান
চিত্র রয়েছে। জানাগেছে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেইন
টার্নিং পয়েন্টের- সিএনজি পাম্পসহ এলাকার প্রায় ছয় শতাধিক সকল ফুটপাত
থেকে ৬ লক্ষ টাকা ও প্রতিদিন পরিবহন কাউন্টার প্রতি ১’শ টাকা, মেঘা
কমপ্লেক্স প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা, পরিত্যক্ত সোনারগাঁও পাম্পের মধ্যে
প্রায় তিন শতাধিক ফুটপাত থেকে ওসি যোগদান করার পূর্বেই এ্যাডভান্স ১ লক্ষ
টাকা এবং প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা নেন পাম্প ব্যবসায়ী মান্নান মেম্বার ও
পরিচালনায় নজরুল মিয়ার কাছ থেকে , ‘হাইওয়ে থানা সংলগ্নে সোনাপুর
রোডস্থ্য- সিএনজি, ইজিবাইক, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং
থানা সংলগ্নে থানার দেওয়াল ঘিরে উত্তালন অবৈধ দোকানপাট মোট ৫টি- বেকারী
খোকন প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা-এ্যাডভান্স ২ লক্ষ, বিরিয়ানীর দোকান ১০
হাজার টাকা-এ্যাডভান্স ২ লক্ষ, আরও দুটি চা দোকান থেকে প্রতি মাসে ১০
হাজার টাকা এবং জন প্রতি এ্যাডভান্স নেন ২ লক্ষ ও ফিরোজ ডিমের দোকান মাসে
৪ হাজার, নিজ খরচে দোকান উত্তালন ৫০ হাজার টাকা। ‘যাত্রামুরা- সিএনজি,
ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে ২০ হাজার টাকা, ‘ তারাব-
ফুটপাত, সিএনজি, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে হাশেম নামে
প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা থানা কক্ষে নিয়ে পৌছে দেন, ‘বরাব- ফুটপাত,
সিএনজি, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে ২০ হাজার টাকা,
‘বরপা- ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ৩০
হাজার টাকা, ‘ রুপসি- ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি
ষ্ট্যান্ড ৩৫ হাজার টাকা, ‘গাউছিয়া- প্রাইভেট রেন্টেকার, ফুটপাত,
ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ২ লক্ষ টাকা,‘
গোলাকান্দাইল- ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড
থেকে ৭০ হাজার টাকা,‘ নয়াপুর- ফুটপাত, বেবী টেক্সি, বডবডি, সিএনজি,
ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে ৪০ হাজার টাকা,‘ ললাটি-
ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ১০ হাজার টাকা,‘
মদনপুর- ফুটপাত, নতুন প্রাইভেট রেন্টেকার, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা,
সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ১ লক্ষ টাকা,‘ জাঙ্গাল- বিএসআরএম-রডের গোডাউন থেকে
১ লক্ষ টাকা ও ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড ৩০
হাজার টাকা,‘ কেওঢালা- ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি
ষ্ট্যান্ড থেকে ২৮ হাজার টাকা,‘ জামপুর- ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা,
সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ২০ হাজার টাকা,‘ লাঙ্গলবন- ইজিবাইক, লেগুনা,
অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ১০ হাজার টাকা,‘ মোগরাপাড় বাস
ষ্ট্যান্ড- প্রাইভেট বা মাইক্রো রেন্টেকার থেকে ২০ হাজার টাকা এবং ২টি
পিকআপ ষ্ট্যান্ড থেকে ৫/৫ দশ হাজার টাকা ও ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা,
অটোরিক্সা, সিএনজি উভয় রাস্তার ষ্ট্যান্ড থেকে ২ লক্ষ টাকা , মেঘনা-
প্রাইভেট বা মাইক্রো রেন্টেকার ৪০ হাজার টাকা এবং পিকআপ ষ্ট্যান্ড থেকে
৫০ হাজার টাকা ও ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড ৭০ হাজার
টাকা। অন্যদিকে যারা তার স্ব-চোঁখে অর্থবিহীন অভিযুক্ত সচেতন অটোরিক্সার
গ্রেজ মালিক, পুলিশকে অবৈধ অর্থ দিতে নাখোশ, তাদের রিক্সা সড়কে উঠলে
পুলিশ ধরে থানায় আক্রিয়ে রিক্সা প্রতি ৫/১০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন।
এধরনের ৩০/৪০ জন তিন চাকা চালক ভোক্তভোগীর ভিডিও চিত্র রেকর্ডসহ
সাক্ষাৎকার রয়েছে ও বন্দর এবং সোনারগাঁও এলাকার ইটভাটার মাটির প্রজেক্ট
ঠিকাদার- হানিফ প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা, ফারুক ৫০ হাজার টাকা, শহিদ ৫
হাজার টাকা, শরিফ ২০ হাজার টাকা, মামুন ৩০ হাজার টাকা। এ সকল অভিযুক্ত
ব্যবসায়ী কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ও প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ
করেন বলে একাধিক মাধ্যম থেকে জানাগেছে।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি আব্দুল কাউয়ুম তার
আত্মিও স্বজন, মুক্তার হোসেনকে অবৈধ স্থাপনার চাঁদা আদায় করার দায়িত্ব।
পরিবহন খাতের চাঁদা উত্তালনের দায়িত্বে মনির হোসেনকে ও থানার সেকেন্ড
অফিসার মো:শামছুল ইসলাম ক্যাসিয়ার বা হিসাব রক্ষক হিসেবে (মৌখিক
নিয়োগপত্র)। এ তিন জনকে দায়িত্ব প্রদান করেন তিনি। তার দুর্নীতির কারণে
কিছু সংখ্যাক লালিত-পালিত সংবাদকর্মীদেরকে মাশোহারা দিয়ে থাকেন। আরও
জানাগেছে, গত ২৬ আগষ্ট ওসি’র মেয়াদ দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে তার অফিস
কক্ষে কেক কেটে, তার হাইওয়ে সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে হাঁসি আনন্দে
মেতে উঠেন। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক পুলিশ সদস্যদের ভাষ্য মতে, হাইওয়ে রেঞ্জ
ডিআইজি ওসি’র আত্মিও স্বজন পরিচয়ে, আরও দুই বছর মোটা অংকের বিনিময় থাকার
আশ্বাস প্রদান করেন।

এ বিষয় পরিবহন ভোক্তভোগীরা হাশেম, রহিম, জাহাঙ্গীর, পারভেজ , ইমতিয়াজসহ
৫০/৬০ জনে জানান, ওসি’র অবৈধ অর্থের লোভ লালসা অনেকটা বেশী। অর্থ হলে তার
কাছে সকল কিছু সম্ভব । অর্থ নেই সে সকল পরিবহন তার অনুমতি ক্রমে
পুলিশ-ডাম্পিং এ চলে যায়। মহাসড়ক পথে যে সকল পরিবহন প্রবেশ করার সরকারী
বিধান নেই। সে সকল পরিবহন অর্থের বিনিময় টোকেন প্রদান করে থাকেন। এজন্য
সাধারন পরিবহন মালিক ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তার উৎকোচ বাণিজ্যর
কারণে। সাধারন ব্যবসায়ীরা তার অপ-কর্মকান্ডে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে,
সরকারী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আইনী ব্যবস্থা কামনা করেন।

অটোরিক্সা চালক মনিরুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, হাবুল, সোহাগ, মমিনুর,
শামছুলসহ ২০/৩০ জনে ভিডিও সাক্ষাৎকারে জানান, সড়কপথে টোকেন বিহীন রিক্সা
উঠলে পুলিশ আটক করে ওসি’র নেতেৃত্বে ৫/১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়।
আর যাদের টোকেন আছে তাদের সড়কে উঠা কোন সমস্যা নেই। এবিষয়ে ইতিপূর্বে
অনেক ঘটনা ঘটেছে, গত ৩০ মে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাসেদ নামের অটোরিক্সা
চালককে ওসি চাঁদার দাবিতে চালককে গনপিটুনি দিয়ে মদনপুর ষ্ট্যান্ডে মেরে
ফেলেন। এ ঘটনার সূত্রমতে, জাতিয় দৈনিক মানবজমিনসহ স্থানীয় অনেক
পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। পূর্বেও তার দুর্নীতির ব্যাপক সংবাদ
প্রকাশ হয়েছে। এধরনের আমাদের আরও অনেক রিক্সা চালককে গনপিটুনি দিয়ে
গুরুতর ভাবে আহত করেছেন। যার কোন বিচার বিশ্লেষন পাইনি। এ ঘটনার
প্রেক্ষিতে হাইওয়ে পুলিশ সুপারকে মুঠোয়ফোনে বিষয়টি অবহিত করলে, তিনি
অশ্লিল ভাষায় বাংলাদেশের সকল সাংবাদিককে গালমন্দ করে থাকেন এবং আরও বলেন,
আমাদের হাইওয়ে পুলিশের বিষয়ে কেহ নাক গলালে তাকে দেখে ছাড়বো।

ব্যক্তি মালিকানা ফুটপাত ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের দাদা-বাবা-মায়ের পত্রিক
সম্পত্তি, এক সময়ে সরকারী ভাবে রাষ্ট্রীয় কাজে সরকার উন্নায়ণের জন্য
একোয়ার করে নিলে, সড়ক পথের পাশে দাবি-দারিত্ব, ওই মালিকানা ভোগ দখল করিতে
পারিবেন। সরকারী ভাবে এমন বিধি মালায় উল্লেখ রয়েছে। বরং স্থানীয় মালিকানা
বিহীন কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি আব্দুল কাইয়ুম বে-আইনি ভাবে তার জন্মগত এলাকার
আত্মিও স্বজনদের, অবৈধ ফুটপাতের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে, তার প্রতিটি এড়িয়ার
সড়কপথের পাশে স্থাপনা বসিয়ে কোটি কোটি টাকা উত্তালন করেন তিনি।

ইটভাটা ও মাটির ঠিকাদার আনিস, হানিফ, মামুন, শহিদ, ফারুক আরও ১৫/২০ জন
ব্যবসায়ীরা জানান, ওসি কাইয়ুমের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পরেছি। আমাদের
গাড়ি সড়কে উঠলে অর্থ দিতে হবে, অন্যথায় গাড়ি আক্রিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা
দাবি করেন তিনি। চাঁদা দিলে মাটির গাড়ি ছেড়ে দেয়। ইতিপূর্বেও গত রবিবার
দুপুর ১২ ঘটিকার সময় বন্দর মালিবাগ পাম্প সংলগ্নে হানিফ মিয়ার ৩টি মাটির
গাড়ি আক্রিয়ে থানায় নিয়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময় ছেড়ে দেন। আবার মাশোহারা
দিতে হয়। এধরনের তার কর্মকান্ডে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে চাপা ক্ষোভ ও মূখ
ফুটে নারাজ হয়ে পড়েছেন। এধরনের দুর্নীতির কর্মকান্ডকে ‘‘ দুর্নীতি দমন
কমিশন (দুদক)’’ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন সাধারন ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের তরুণ নেতা সহিন, ছাত্রলীগ নেতা রাসেলসহ
১০/১২ জন সাংবাদিকদের জানান, কাঁচপুর একটি শিল্প বাণিজ্যিক এলাকা তথা
সমাজের উন্নায়ণ কর্মকান্ডকে শক্তিশালী করার লক্ষে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের
সৈনিক হিসেবে। ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সড়কপথ শৃঙ্খলা বজায় রাখার
জন্য। সাধারন শ্রম কর্মজীবিদেরকে ব্যাপক ভাবে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে তুলি
সার্বক্ষণিক। এসকল কর্মকান্ডকে ক্ষতি সাধন করার চেষ্টা করেন হাইওয়ে ওসি।
তিনি সড়কপথের যানজট নিরসনের কোন উদ্ধেক নেই। তিনি সড়কপথের পাশে ফুটপাত
নিয়ে চিন্তা চেতনায় ভরপুর। পরিবহন ও ফুটপাত প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রচুর
দুর্নীতির আখড়া গড়ে তুলেছেন তিনি। এ বিষয়ে কোন প্রকার কথাবার্তা হলে
আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ভালো না এমন মন্তাব্য করেন ওসি।

এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসিকে মুঠোয়ফোনে জানতে চাইলে বলেন, ভাই
ফুটপাত চাঁদাবাজি ও পরিবহন চাঁদাবাজি, যে সকল বলেছেন, সর্ব প্রকার মিথ্যা
বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্যে। কোন প্রকার সত্যতা নেই। এ কথা বলে তার ব্যস্ততা
দেখিয়ে ফোন রেখে দেন।

এ বিষয়ে হাইওয়ে রেঞ্জ ডিআইজিকে সরকারী মুঠোয়ফোনে জানতে চাইলে, তিনি কোন
প্রকার সরকারী মোবাইল ফোনে দায়িত্ববোধ গ্রহণ করেননি।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ