বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

যত খুশি ডিম খান, মোটা হবেন না, হার্টও সুস্থ থাকবে

  • সময় বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

কোনো কোনো গবেষণার আলোকে এক সময় মুরগির ডিমকে হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর ভাবা হতো। কিন্তু আজকাল এই ডিমকে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি মেইলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, মুরগির ডিম হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো তো বটেই, একইসঙ্গে তা ওজন কমানোর জন্যেও সহায়ক। এই গবেষকরা বলছেন, ত্রিশ বছর আগের ডিম ও আজকালকার ডিমের গুণগত মান আর এক নেই। ত্রিশ বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে মুরগির ডিম কোলেস্টেরলের জন্য ক্ষতিকর নয়।

আমেরিকার ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা মুরগির ডিম খান তাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। গত বছর আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন যে ডিমের হলুদ অংশের গুরুত্বপূর্ণ ডিএমাইনো অ্যাসিডে ব্যাপক পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। দুটি কাঁচা ডিমের হলুদ অংশের অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ একটি আপেলের অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমান। অবশ্য ডিম পোজ করা হলে বা সিদ্ধ করা হলে এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট অর্ধেক মাত্রায় কমে যায়।

আজকালকার মুরগির ডিমে ভিটামিন ডি’র পরিমাণ অতীতের চেয়ে শতকরা ৭০ ভাগ বেশি। ডিমের কুসুম বা হলুদ অংশে রয়েছে ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এক গবেষণায় দেখা গেছে যেসব মোটা মহিলা সকালে দুই বেলা ডিম দিয়ে নাস্তা করেছেন তারা মিষ্টি রুটিভোজী মোটা মহিলাদের তুলনায় দৈনিক কম ক্যালরি পেয়েছেন।

গবেষকরা বলছেন প্রতিদিন যত ইচ্ছা ডিম খান তাতে কোনো অসুবিধা নেই। অবশ্য যারা বংশগতভাবে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরলের অধিকারি তাদের জন্য এ কথা প্রযোজ্য নয়।

অতীতে গবেষণায় বলা হয়েছিল যে ডিমের কুসুম খাওয়ার ফলে ক্যারোটিড বেড়ে যায়। কিন্তু এখন একদল গবেষক বলছেন, ৪০ বছর বয়সের পর এমনিতেই মানুষের শরীরে ক্যারোটিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তা ছাড়া শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারটিকে অতীতের গবেষণায় বিবেচনায় আনা হয়নি।

এ ছাড়াও ত্রিশ বছর আগের ডিমের তুলনায় আজকালকার মুরগির ডিমে চর্বির পরিমাণ শতকরা ২০ ভাগ কম। এ যুগের ডিমে ক্যালরির পরিমাণ শতকরা ১৩ ভাগ কম এবং কোলেস্টেরলও দশ শতাংশ কম। ডিমের প্রোটিনের ক্ষুধা নিবৃত্তির ক্ষমতা বেশি থাকে বলেই যেসব মোটা মহিলা সকালের নাস্তায় দুইবার মুরগির ডিম খান তারা অন্য মোটা মহিলাদের তুলনায় কম ক্যালোরি ভোগ করেন বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ