বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকায় মানববন্ধন কুয়েক ফেরত ভুক্তভোগীরা

  • সময় বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন কুয়েক ফেরত ভুক্তভোগীরা।

‘কুয়েত ফেরত প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রোমিকরা’
নামের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে কবির ও নাসির নামে দুই কুয়েত ফেরত ভুক্তভোগী বক্তব্য রাখেন।

তারা জানান, দীর্ঘদিন থেকে বৈধভাবে কুয়েতে থাকেন তারা। হঠাৎ করে একদিন সে দেশের পুলিশ তাদের আটক করে কারাগারে নিয়ে যায়। এ সময় আটকের বিষয়টি পুলিশের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায় কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের নির্দেশেই আটক করা হয়েছে। পরে তাদের অপরাধ বা আটক করার কারণ জানার জন্য তারা কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করেন।

এ সময় দূতাবাস কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফরিদ হোসেন তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। কিন্তু তাদের বৈধতা থাকায় টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে ফরিদ ও তৌহিদুলের নির্দেশে তাদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

তারা আরো জানান, কুয়েতে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের। কিন্তু সেই দূতাবাসে কর্মরত এই ২ কর্মকর্তা দেশপ্রেমের কথা বলে দুর্নীতি ও অবৈধভাবে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা লুট করছেন জানা যায় তৌহিদুল ইসলাম এর বাড়ি ফেনী কিন্তু হালিশহর এর স্থানীয় বাসিন্দা কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি গড়ে তোলে তারা বাবা মৃত ওয়ালিউল্লাহ মজুমদার বড় ভাই নাজীম উদদীন মজুমদার সাধারন সম্পাদক আওয়ামী লীগ ২৬ নং ওয়ার্ড,
নাহিদুল ইসলাম মজুমদার সভাপতি
বি ব্লক ব্যাবসায়ী কল্যানপরিষদ,
আজিমুল ইসলাম মজুমদার কুয়েত প্রবাসী, এলাকাবাসীর বক্তব্য মতে তারা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে এলাকার মাঝে চালিয়ে যাচ্ছে নানাবিধ অপকর্ম, দেশে বিদেশের সাধারন মানুষের রক্ত চোষা টাকায় গড়ে তুলেছেন কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি।

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ওই দুই কর্মকর্তা (মো. ফরিদ হোসেন ও তৌহিদুল ইসলাম) ১০-১৫ বছর ধরে সেখানে কর্মরত রয়েছেন জানিয়ে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন থেকে তারা সেখানে কর্মরত থাকায় সবাইকে চেনেন এবং টার্গেটকৃত প্রবাসীদের ফোন করে রাষ্ট্রদূতের সাথে দেখা করার জন্য বলা হয়। কারণ জানতে চাইলে এ সময় টার্গেটকৃত প্রবাসীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার দিনার (কুয়েতি টাকা) চাঁদা দাবি করা হয়। তবে যারা সেই টাকা দিতে পারতেন না তাদের স্থানীয় পুলিশ বা জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়া হতো। পরে ওই দেশের সরকারি আইনের আওতায় এনে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত দুর্নীতিবাজ ওই কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করেন। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেত কামনা করেন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ