বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ নেতার কপাল ফাটালেন আরেক নেতা

  • সময় মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২২ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে দুই সহ-সভাপতি শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ ও তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহিরের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এরা দুইজনই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের অনুসারী।মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ মারামারি হয়। মারামারিতে একজনের কপাল ফেটে গেছে। আহত বিদ্যুৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আদর্শগত দ্বন্দ্বের জন্য কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জহির ইট দিয়ে আঘাত করে বাম চোখের উপরে কপাল ফাটিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ।

বিদ্যু বলেন, ‘সপ্তাহ খানেক ধরে ওদের সিন্ডিকেটের সঙ্গে আমাদের মতানৈক্য ও বিরোধ চলে আসছিল। আজ মধুর ক্যান্টিনে এসব বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জহির আমার শার্টের কলার চেপে ধরে। তখন আমিও ওর জামার কলার চেপে ধরি। এক পর্যায়ে জহির ইট দিয়ে আঘাত করে আমার কপাল ফাটিয়ে দেয়।’ এ সময় জহিরের এক ছোট ভাইয়ের হাতে বাঁশ ছিল বলে অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ।
জহির জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জহিরের সিন্ডিকেট মিলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভাঙার ষড়যন্ত্র করছিল বলে অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ। আর এসব বিষয় নিয়েই মূলত জহিরের সঙ্গে কিছুদিন ধরে ঝামেলা চলছিল বলে জানান তিনি। এ ছাড়া অভিযুক্ত জহির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় বলেও অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ।

অভিযুক্ত জহির এখন কোথায় আছেন তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে জহির ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের বাসায় আছেন বলে জানান বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ