বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

বয়ঃসন্ধিকালে সন্তানকে যেভাবে যৌনতার মতো বিষয়ের সঙ্গে পরিচয় করাবেন

  • সময় মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

অনলাইন ডেস্ক :
প্রতিটি মা-বাবার কাছে তাদের সন্তানের চেয়ে বড় কিছুই নেই। আদরের সেই ছোট্ট শিশুটি হাঁটি হাঁটি পা পা করে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। আর সেই সঙ্গে সন্তানকে নিয়ে বাড়তে থাকে মা-বাবার স্বপ্নও। কিন্তু সন্তানের এই বড় হওয়ার মাঝখানে বয়ঃসন্ধিকালে বাবা-মায়ের কোনো অসাবধানতা কিংবা অসচেতনতার কারণেই জড়িয়ে পড়তে পারে অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে, যা ঠিকমতো বোঝার আগেই ভেঙে ফেলতে পারে মা-বাবার বা পরিবারের এতদিনকার স্বপ্ন।

বয়ঃসন্ধিকাল এমন একটা পর্যায় যখন একটি শিশু একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হয়ে ওঠে। এ সময়ই মানুষের মধ্যে প্রজনন ক্ষমতা তৈরি হয়। এই সময়ে ছেলে-মেয়ের মধ্যে বড় ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে, যে কারণে তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়ঃসন্ধিকালীন সেবা নিশ্চিতের পাশাপাশি তাদের সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার মতো নীতি গ্রহণ করা গেলে এই ছেলে-মেয়েরা দারিদ্র্য, বৈষম্য ও সহিংসতার চক্র ভেঙে ফেলতে পারে। তাই এই সময়টাতে আপনিও আপনার ছেলে-মেয়ের পাশে থাকুন। তাদেরকে সাহায্য করুন সব সমস্যা কাটিয়ে ওঠতে। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠতে পারে আপনি তাদের কিভাবে সাহায্য করবেন। আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন কোলেট স্মার্ট নামে এক অস্ট্রেলিয়ান মনোবিজ্ঞানী। তিনি একজন শিক্ষক, লেখক এবং তিন সন্তানের মাও। জানুন তার পরামর্শগুলো-

শিশুর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা
যেকোনো বিষয়ে শিশুকে জানাতে বা তাদের কাছ থেকে কিছু জানতে আপনার শিশুর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করুন। মনের অবান্তর ধারণাগুলো ফেলে দিয়ে যেকোনো বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করুন। এটি হতে পারে যৌনতার মতো সংবেদনশীল বিষয়। মনোবিজ্ঞানী কোলেট স্মার্ট বলেন, পিতা-মাতা হিসেবে সবার আগেই আমাদের আলোচনা শুরু করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে আলোচনা যাতে মাত্রারিক্ত না হয়। আমাদের সন্তানরা যতোটুকু নিতে পারে ঠিক ততোটুকুই আলোচনা করতে হবে।

পর্ন নিয়ে আলোচনা

মনোবিজ্ঞানী কোলেট স্মার্ট ১১ বছর বয়সী ছাত্রদের পড়ান। তিনি বলেন, প্রায়ই আমার যৌন শিক্ষার ক্লাসে শিক্ষার্থীরা পর্ন নিয়ে প্রশ্ন করে থাকে। আমি তাদের শিখাচ্ছি বেসিক জিনিসগুলো-বাচ্চাগুলো কিভাবে তৈরি করা হয়? তারা কোথা থেকে আসে? স্মার্ট বলেন, তারা আমাকে এনাল সেক্স সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। পাশাপাশি জানতে চায় একাদিক সঙ্গী কিভাবে গ্রহণ করা যায়। এই বিষয়গুলো শ্রেণিকক্ষে জানতে চাওয়ার মানে হচ্ছে, বিষয়গুলো নিয়ে খেলার মাঠে আলোচনা হয়। তাই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানাতে সন্তানদের সঙ্গে আলোচন করা যেতে পারে।

আবেগ-অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ

বাবা-মাদের উচিত সন্তানদের নিয়ন্ত্রণ আচার-ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। এর ফলে সন্তানদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বেশি আবেগ নিয়ে বেড়ে উঠবে না। সন্তানরা যদি ক্রুদ্ধ বা আক্রমণাত্মকভাবে আবেগ প্রকাশ করে তাহলে জীবনে সফল হওয়া বাধা হয়ে উঠতে পারে এই আচারণ। কোলেট স্মার্ট বলেন, সন্তানদের আবেগ প্রকাশ করা জন্য কান্না করতে পারে এ রকমভাবে গড়ে তুলতে হবে। কারণ হিসেবে তিনি একটি গবেষণার কথা বলেন। ওই গবেষণায় বলা হয়, কেমিক্যাললি এবং হরমোনালি; কান্না করার কিছু উপকার রয়েছে।

প্রথমে যদি আপনি সফল না হন তাহলে ধৈর্য্য ধারণ করুন
যদি সবকিছুই আপনার কাছে ঠিক মনে হয় কিন্ত সব বাধা ভাঙতে পারছেন না তাহলে আরো অপেক্ষা করুন। সন্তানের সঙ্গে অনেক সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে হয়তো আপনি কথা বলতে পারবেন না কিন্তু বাবা-মা হিসেবে আপনাকে ধৈর্য্য হারা হলে চলবে না।

কিশোরদের সঙ্গে যেভাবে কথা বলা শুরু করবেন-
মত প্রকাশের অনুমতি দিন: আপনার সন্তানের সঙ্গে কথা বলার সময় তুচ্ছ মনে করে কোনো বিষয়কে বাদ দেবেন না। এটি যদি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয় তবে তা আপনার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মত প্রকাশের অনুমতি দিন।

মনোযোগ দিয়ে সন্তানের কথা শুনুন: আপনর সন্তান আপনাকে যা বলতে চায় তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এই অভ্যাসটি আপনার সন্তানকে শোনার অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। সেই সঙ্গে নিজের থেকে কিছু বের করে শুরু করতে উত্সাহ দেবে। সবসময় তাদের ধারণাগুলোকে সামালোচনা করবেন না।

প্রশ্ন করুন: কিশোর-কিশোরীরা একটি নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তারা কী অনুভব করছে সে সম্পর্কে খোলামেলা প্রশ্ন করে থাকে। তাদের জিজ্ঞেস করুন, ‘এক্স সম্পর্কে কেমন লাগছে?’ বা ‘ওয়াই সম্পর্কে কী অনুভূতি?’ তারপর ধীরেধীরে আরো অনেক কিছু জিজ্ঞেস করতে পারেন।

সূত্র: আইনিউজ, ডিডব্লিউ।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ