বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:১৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

বাবার পর ছেলেকে অপহরণের হুমকি, এসপির কাছে অভিযোগ

  • সময় মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

এস.কে মাসুদ রানা:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের যুবলীগের নেতা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনকে অপহরণের পর এবার তার ছেলেকে অপহরণের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের শ্যালক নূর আলম খান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন অর রশিদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী জোসনা বেগম। অভিযোগ ইসমাইল হোসেন অপহরণ ঘটনায় দায়ের করা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য এ হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জোসনা বেগম পেশায় গৃহিণী। তার দুই ছেলে দুই মেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে সংসার জীবনে সুখে ছিলেন।

ব্যবসায়ীক ও রাজনৈতিক কারণে শত্রুতাবসত নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি নূর হোসেন ও তার শ্যালক নূর আলম একই মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তাদের দিয়ে (সাতজন অপহরণ ও খুনের পূর্বে) প্রথমে তার স্বামী যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে ২০১৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর এলাকা থেকে র‌্যাব পরিচয়দানকারী দুর্বৃত্তরা ইসলামাইল হোসেনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর আদমজীনগর র‌্যাব-১১ এর তৎকালীন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ দুই কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। সেই টাকা দিতে না পারায় এখনও তিনি তার স্বামী ইসমাইলের সন্ধান পাননি। এবিষয়ে নূর হোসেন তার শ্যালক নূর আলম খান, র‌্যাবের সাবেক কয়েকজন অফিসারসহ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

আরও উল্লেখ করা হয়, নূর হোসেন কারাগারে বন্দি থাকলেও ইসমাইল অপহরণ মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে তার শ্যালক নূর আলম খান অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। গত ২২ আগস্ট বিকেলে তাদের কাঁচপুর কুতুবপুর এলাকায় অবস্থিত কাঁচপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসের মিলাদ-মাহফিল চলার সময় অনেকের সামনে নূর আলম তার সহযোগী মাহবুব ও সোহেলসহ কয়েকজন এসে জোসনা বেগমকে ডেকে নিয়ে অপহরণ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেয়।এসময় তারা অপহরণ মামলার বাদী আব্দুল মান্নানকে দিয়ে মামলা তুলে না নেওয়া হলে ইসমাইলের মতো তার ছেলেকেও র‌্যাব দিয়ে অপহরণ করে হত্যা করা হবে বলে জোসনাকে হুমকি দেয়।জোসনা বেগম জানান, পুলিশ সুপার সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তার ধারণা, নূর আলম ও তার সহযোগী মাহবুব এবং সোহেলকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে ইসমাইল হোসেন অপহরণের বিষয়ে তথ্য পাবে পুলিশ।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ