বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

লামায় ফাঁসিয়াখালী এলাকায় দুইশত রাবার গাছ ক্ষতি হয়েছে

  • সময় সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে
  • 23
  •  
  •  
  •  
    23
    Shares

লামা (বান্দরবান)বান্দরবানের লামায় ফাঁসিয়া খালী এলাকায় কুতুব উদ্দিনসহ তার সাঙ্গ পাঙ্গদের কে নিয়ে স্যানমার কোম্পানির প্রায় ২ শ রাবার গাছ কেটে হরিলুট করে এবং কোম্পানি লোকজনকে মারধর সহ নানা ধরনের হুমকি প্রদর্শন করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে এসে জানা গেছে, স্যানমার কোম্পানির সৃজনকৃত একটি রাবার বাগান দখলের জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের দিয়ে দফায় দফায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।

সিনিয়র ম্যানেজার মাইনুল হক জানিয়েছেন, উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পাগলীর আগার ২ নং ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত মেম্বার কুতুব উদ্দিনের সন্ত্রাসী আগ্রাসনে বনায়নের বিভিন্ন রকমের গাছ গাছালি ও বাগান সৃজন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে প্রায় ৪০ বছরের সৃজিত বাগান দখলের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমানে এলাকায় বাগান মালিক ও স্থানীয় লোকজনের কাছে আতংকের অপর নাম কুতুব গংদের।
ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের চৌদ্দ মাইল এলাকায় স্যানমার এর বাগান কেয়ারটেকার মিঃ নুর নবী (৪৫) বলেন,সরকারের লীজ দিয়াছেন সে সুবাধে ১৮ একর জায়গায় বাগান সৃজন করেন।সম্প্রতিকালে,কুতুবউদ্দিন,হামিদ হোসেন,ইমাাম হোসেন,বাবুল হোসেন,জসিম উদ্দিন,রহমত উল্লাহ,আহাম্মদ হোসেনসহ আরো কয়েক জন বাগানে এ হুুমকি এবং এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন।

কুতুব উদ্দিন ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা প্রতিনিয়ত ১০/১৫টি গরু ছেড়ে দিয়ে বাগানের চারা গাছ গুলো নষ্ট করে ফেলছে। বাধা দিলে তারা গায়ের দিকে তেড়ে আসে এবং নারী নির্যাতন মামলার হুমকি দেয়। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, কুতুব উদ্দিন খারাপ প্রকৃতির মানুষ। সে পারেনা এমন কোন কাজ নেই। সে তার মাছের প্রজেক্টে ১০/১৫ জন মহেশখালী-কুতুবদিয়া এলাকার সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোককে চাকরি দিয়ে রেখেছে। প্রশাসন গেলে তাদের কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেয় মূলত তারা তার লাঠিয়াল ও সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করে। পাগলির আগা এলাকায় ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকার হওয়ায় সে সেখানে সন্ত্রাসীর রাজত্ব গড়ে তুলেছে।

এই বিষয়ে কুতুব উদ্দিন বলেন, আমি কোন গাছ কাটি নাই। আমি আমার বাগানে সবসময় আসব-যাব। কে আমাকে বাধা দেবে ?
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার বলেন, অস্ত্র ও ডাকাতির মামলায় সাজা হওয়ায় কুতুব উদ্দিনকে মেম্বার থেকে বহিস্কৃত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এছাড়া তার নামে অসংখ্য মামলা রয়েছে।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের খবর আসলে থানা পুলিশ অবশ্যই শক্ত হাতে প্রতিহত করবে।

Comments Below
  •  
    23
    Shares
  • 23
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ