বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

হঠাৎ রোহিঙ্গাদের নিয়ে উল্টো সুর কেন!

  • সময় রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১২ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পাদকীয়ঃ

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকার সম্ভবত সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। একবার দেখলাম রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে ঘর বানানো হচ্ছে। কিন্তু কোনও রোহিঙ্গাকে আজ পর্যন্ত সেখানে নিতে দেখলাম না। তারাও যায়নি। মিয়ানমার থেকে আগে-পরে আসা সব রোহিঙ্গা শরণার্থী টেকনাফ আর উখিয়ার ক্যাম্পগুলোতে এখনও অবস্থান করছে। এতে করে একটা জায়গায় ১১ লাখ লোক সুদীর্ঘ সময় বসে বসে দিন কাটালে যা হওয়ার তাই হচ্ছে। টেকনাফ উখিয়ার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ভারসাম্য—সব ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
রোহিঙ্গা নিয়ে কূটনীতিতেও কোনও পরিকল্পিত পথে সম্ভবত আমাদের সরকার হাঁটছে না। বাংলাদেশের দুই বৃহত্তম প্রতিবেশী চীন এবং ভারত রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের সমর্থক। চীন এবং ভারত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা হিসেবে রাখাইনে ক্যাম্পের মতো করে একসঙ্গে অনেক লোক থাকবে, এমন কিছু ঘরবাড়ি তৈরি করে রেখেছে। টেকনাফ উখিয়া ক্যাম্পে নেতৃস্থানীয় রোহিঙ্গারা বলছে, এই ঘরগুলো তাদের এক ক্যাম্প থেকে আরেক ক্যাম্পে তালাবদ্ধ করার পরিকল্পনা। তারা তাদের যেসব ঘরবাড়ি ফেলে এসেছে, সেখানে সেই পুরনো ভিটায় ফিরবে এবং তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দিতে হবে।
বহু বছর আগে তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব ছিল। ভোটাধিকার ছিল। সংসদে ছয়জন নির্বাচিত প্রতিনিধিও ছিল। সামরিক সরকার তাদের সবকিছু বাতিল করেছে। জাতিসংঘের মহাসচিব কিন্তু আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন রোহিঙ্গা ইস্যুটা সমাধান করার জন্য। কিন্তু রাশিয়া এবং চীনের ভেটোর কারণে তাদের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হয়নি।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুদিন আগে চীন সফর করেছেন। সেখানে স্তরে স্তরে সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর চীনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার তাদের বন্ধু। সুতরাং তিনি চেষ্টা করবেন বিষয়টি সমাধানের জন্য। অথচ বিগত দিনের ঘটনাবলিতে সমস্যা সমাধানে চীনের আন্তরিকতার কোনও লক্ষণ আমরা দেখছি না। বাংলাদেশে এখন যে এগারো লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আছে, তার বড় অংশই বাংলাদেশে প্রবেশ করা শুরু করেছিল ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। চীনের সরাসরি মধ্যস্থতায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সর্বশেষ ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের তারিখ ঠিক করেছিল। এর আগে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম তারিখ ঠিক হয়েছিল। দুটি প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে, ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিন যখন আন্তর্জাতিক মহল কক্সবাজারে চোখ রাখছিল, তখন মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে দেশটির সেনাপ্রধানের সঙ্গে দেখা করেন চীনের রাষ্ট্রদূত। যে কোনও অবস্থায় চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পক্ষে থাকবে, সে বার্তাই দেওয়া হয় ওই বৈঠক থেকে।
আকিয়াব উপকূলে চীন তার জ্বালানি নিরাপদে চীনে পৌঁছানোর জন্য বন্দর নির্মাণ করছে এবং চীন পর্যন্ত পাইপলাইন বসানো হচ্ছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত গত বছর বলেছিলেন আকিয়াব উপকূলে চীনের বিরাট বিনিয়োগ রয়েছে। তার কথা বিবেচনা করে তাদের রোহিঙ্গা বিষয়ে কথা বলতে হবে। ভারত মিয়ানমার থেকে গ্যাস কিনছে এবং ২০০১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায়, তখন তারা সেই গ্যাস ভারতে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ওপর দিয়ে পাইপলাইন নিতে চেয়েছিল। তখন বাংলাদেশ সরকার সম্মত হয়নি। সেই সুবাদে ভারতও মিয়ানমারের কাছে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আটকা পড়েছে এবং মিয়ানমারের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে ভারতও টাকা বিনিয়োগ করেছে। সুতরাং ভারতও তার বিনিয়োগের স্বার্থে রোহিঙ্গা বিষয়ে কোনও জোরালো ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চাচ্ছে না।
অন্যদিকে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে রাশিয়া চীনের বকলমে রোহিঙ্গা বিষয়ে ভেটো প্রদান করছে। মনে রাখতে হবে—চীন ও রাশিয়া জাতিসংঘে প্রায় অভিন্ন ভূমিকা পালন করে। তাদের উভয়ের এই ভেটো পাওয়ার রয়েছে। ভারতের অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাংলাদেশ চীনের ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডে অংশগ্রহণ করেছে। চীন তার ব্যবসা-বাণিজ্যে এতো বেশি সুপ্রতিষ্ঠিত হচ্ছে যে আগামীতে তার ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড সফল করতেই হবে, না হয় তার উৎপাদিত দ্রব্য নিয়ে মুশকিলে পড়বে। ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ ৬৫টি রাষ্ট্রের লেনদেন এক মহাপরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে চীন। সুতরাং চীন বাংলাদেশকে উপেক্ষা করতে পারবে না। মিয়ানমারকেও না। গত সপ্তাহে চীন বাংলাদেশের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ মিয়ানমার ও চীনের মাঝে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, রোহিঙ্গারা শেষ দফায় বাংলাদেশে প্রবেশের দুই বছর পার হয়ে গেলেও এখনও রোহিঙ্গাদের পূর্ণাঙ্গ কোনও লিস্ট তৈরি করা যায়নি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলতে তো একটা পূর্ণাঙ্গ লিস্ট থাকা দরকার। বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ লিস্ট করতে পারেনি এ কথা যদি সত্য হয়, তবে আমরা বলবো জাতিসংঘের প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে রোহিঙ্গাদের পূর্ণাঙ্গ একটা লিস্ট তৈরি করবে। জাতিসংঘের মহাসচিব সহজ-সরল ভাষায় বলেছেন, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কিছু করতে পারেনি। জাতিসংঘ ব্যর্থ হলেও বাংলাদেশকে ব্যর্থ হলে চলবে না, কারণ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের ভূমিতে রয়েছে। একটা ন্যায্য সমাধানের পথ বের করতে হবে।
২২ আগস্ট দ্বিতীয় দফা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভিন্ন সুরে কথাবার্তা বলেছেন। যারা রোহিঙ্গাদের জন্য মানবতা দেখিয়েছি আমরা, তারাও সমস্বরে দেখছি রোহিঙ্গা বিদ্বেষী কথাবার্তা বলছি। সোশ্যাল মিডিয়া তো এতে এক ধাপ এগিয়ে। আবার আমাদের বিরুদ্ধেও রোহিঙ্গাদের কিছু গোষ্ঠী সোশ্যাল মিডিয়ায় কথিত নির্যাতনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবো না।’ খাওয়াতে পারবো না এ কথা সত্য, আবার বের করতেও পারছি না আমরা। দুই বছর আগে বাধ্য হয়ে শরণার্থীদের জায়গা দিয়ে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে একটি মানবিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে, ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ খেতাব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তাড়াতে গেলে তো পুরো দেশ ‘এনিমি অব হিউম্যানিটি’ হবে—সে কথাও ভাবতে হবে।
মন্ত্রীরা, সরকারি দলের নেতারা জোরেশোরে বলছেন, রোহিঙ্গা নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বেশকিছু এনজিও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে কাজ করছে, সেটিও কিন্তু মিডিয়ায় আসছে। তবে সরকারি দল যখন ষড়যন্ত্রের আওয়াজ দেয়, মানুষ সেটাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখে না। কারণ তারা দেখে আসছে ব্যর্থতা ঢাকতেই ষড়যন্ত্রের আওয়াজ তোলার বদঅভ্যাস এদেশে সরকারি দলের লোকদের রয়েছে।
উখিয়া-টেকনাফের ৩২ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে কাজ করা আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের নেতা মহিবুল্লাহর কার্যক্রমকে সরকার ও মিডিয়া খুব নেগেটিভলি দেখছে। ১১ লাখ লোকের সঙ্গে একসঙ্গে কথা বলা সম্ভব না। সুতরাং রোহিঙ্গাদের নেতা দরকার। আমি তো দেখছি মহিবুল্লাহ সেই অভাব পূরণ করার মতো লোক। তিনি ২৫ আগস্ট ২০১৯ সমাবেশ করে রোহিঙ্গারা কী হলে দেশে ফিরবে, তা বলেছেন—তাতে দোষের কী আছে!
লাখ লাখ লোকের নিয়ন্ত্রিত সমাবেশে মহিবুল্লাহ তাদের দাবিগুলো সুবিন্যস্ত করে বলেছেন। যেমন—রোহিঙ্গারা আরাকানের স্থানীয় আদিবাসী এবং সেজন্য তাদের ন্যাটিভ স্ট্যাটাস বা স্থানীয় মর্যাদা সংসদে আইন করে পুনর্বহাল করতে হবে, যার আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি থাকতে হবে। আরাকান রাজ্যে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের ‘সিটিজেন কার্ড’ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরও সিটিজেনশিপ কার্ড দিয়ে প্রত্যাবাসন করে স্থানীয় নাগরিক মর্যাদা দিতে হবে। তৃতীয়ত, একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় থাকা রোহিঙ্গাদের সিটিজেনশিপ কার্ড দিয়ে স্থানীয় নাগরিক মর্যাদা দিতে হবে।
দাবি তো মানুষ কত কিছুই করে। কোনটি ন্যায্য আর কোনটি মানা যায়, সেটা দেখবে যারা দাবি পূরণ করে তারা। শান্তিপূর্ণ জমায়েত করা তো মানুষের মৌলিক অধিকারের বিষয়। জিয়া-এরশাদ আমলে আমরা তো ভিন্ন পথে হেঁটেছিলাম। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের আরএসও, আরিফসহ কিছু গ্রুপকে তখন সাহায্য সহযোগিতা, শেল্টার দিয়েছিল, এটা তো অস্বীকার করা যাবে না। আমি নিজেই তো ঢাকা ও কক্সবাজারে ওইসব গ্রুপের নেতাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছি ১৯৯১-এর ডিসেম্বর এবং ১৯৯২-এর জানুয়ারিতে, যখন রোহিঙ্গাদের ঢল নেমেছিল কক্সবাজারে। এখন তাদের কোনও অস্তিত্ব আমি আর দেখি না। প্রশংসার বিষয়—সরকার বাংলাদেশের মাটি যে কোনও দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না দেওয়ার নীতি অব্যাহত রেখেছে।
মহিবুল্লাহর বিষয়ে বরং আমি সরকারকে পরামর্শ দেব—তার নেতৃত্বে রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধিদল বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলোসহ অন্যান্য দেশে পাঠানো হোক। তারা তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলবে। এর মধ্যে কোনও দেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে হয়তো জায়গাও দিতে পারে। জার্মানির অ্যাঙ্গেলা মেরকেল তো ৯ লাখ সিরিয়ান উদ্বাস্তুকে নাগরিকত্ব দিয়ে ইউরোপকে অনেক বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন।
মালয়েশিয়া একবার বাংলাদেশ থেকে আটকে পড়া বিহারিদের নিতে চেয়েছিল। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে কথা বলতে পারে। মাঝখানে দেখেছিলাম কানাডাও কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাকে নিতে চেয়েছে। যেসব দেশের লোকের প্রয়োজন, তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালানোর উদ্যোগ নেওয়া দরকার। সমস্যা যতই দীর্ঘায়িত হবে, নতুন নতুন সমস্যা ততই বাড়বে। আমরা আশা করি বাংলাদেশ সরকার বিরক্ত না হয়ে ধৈর্যসহকারে সমস্যাটার একটা সঠিক সমাধানের পথে এগিয়ে যাবে।
রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহসহ অন্যান্য নেতার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বোঝাপড়া থাকা দরকার। তাদের দূরে ঠেলে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। যেসব এনজিও সমস্যার সৃষ্টি করেছে, তাদের ব্যাপারে তো সরকার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের বিষয়ে মনিটরিং আরও বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর হতে হবে। তবে সবকিছুই যেন ভেবেচিন্তে করা হয়, যাতে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কোনও অচলাবস্থা সৃষ্টি না হয়।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ