বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:২২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

মানসিক রোগীর বন্ধক রাখা জমি নিয়ে পায়াতারা ।।

  • সময় রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে
  • 3
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

মোঃরবিউল ইসলাস রংপুর প্রতিনিধি ।।

মানসিক রোগীর জমি রেজিষ্টি ওজোড়পূর্বক মালিক দাবী করার বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন অসহায় মোছাঃরুপালী বেগম
রংপুর জেলা মিঠাপুকুর উপজেলা নিশ্চিতপুর গ্রামের মোছাঃরুপালী বেগমের স্বামী মোঃমজিবুল হক(টুটুল) নিম্ন তফসীল বর্ণিত জমি আমার স্বামীর পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত যাহার জেএল নং ১২৯ এস, এ খতিয়ান নং৯৮ বুজারত খতিয়ান নং১০৭ ডিপি নং ৪১৭খারিজ নং৫৬৪ সাঃদাগ ২২৯ হাল দাগ১৬৮ জমির পরিমান ৫৭শতকএর মধ্য৩০.৫০ শতক তন্মধ্যে ১০শতক বন্ধক রেখে আমার মানসিক রোগী স্বামীর চিকেৎসার খরজ বহন করার জন্য নিশ্চিতপুর গ্রামের মৃত্য মফিজ উদ্দিনের ছেলে আলহাজ্ আব্দুর রহিমে কাছে টাকার বিনিময়ে ১০শতক জমি বন্ধক রাখী, সেই বন্ধক টাকা ফেরত দিতে গেলে শুরু হয় পায়াতারা এক পর্যায় জোড়পূর্বক ভাবে জমির মালিক বলে এখন দাবী করতেছে,আলঃ আঃরহিম এমটি বলেন সংবাদ সম্মেলনে রুপালী বেগম তিনি বলেন আমার স্বামীর দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগের চিকিৎসা চলায়ে আসতেছি, এমনতো অবস্থা আমার টাকা খুব দরকার হয়, তাই আমি মোছা রুপালী বেগম চিন্তায় পড়ে যায় তাই নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমির মধ্যে হইতে ১০ শতক বন্ধক রাখী, আলঃআঃ রহিম উদ্দিনকে নিকট আমার স্বামীর জমি বন্ধক টাকা ফিরত দিতে গেলে ওনি আমাকে অনেক বুঝায় যে আগে তোমার স্বামীর ভালোভাবে চিকেৎসা করো,

তারপড়ে আমার টাকা ফিরত দিয়ো আমি তখন চিন্তা করি আর মনে মনে ভাবি যে বন্ধক জমির টাকা দিতে গেলে রহিম উদ্দিন কেনো আমাকে উপদেশ দিচ্ছে, আমি তখন ভাবী আর দেরি করা ঠিক হবেনা আমার মনে হয় বড় কোনো ক্ষতি হতে যাচ্ছে, তাই আগামী ইং২/৯/২০১৯ তারিখে আমি স্বামী সহ টাকা ফিরত দিতে গেলে বলেন যে মজিবুল আমাকে জমি রেজিষ্টি করে দিয়েছে। তখন আমি রহিম উদ্দিনকে বলি আমার স্বামী একজন মানসিক রোগী তার কাছ থেকে আপনি কি ভাবে জমি রেজিষ্টি করে নিলেন, এমন বলতেই আমাকে বিভিন্ন ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে, এবং এটায় বলে যে বেশি বাড়াবাড়ী করলে এক বারে পৃথিবী থেকে তুই সহ তোর পরিবারকে বিদায় দিবো, তাই আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে অনুরত করবো তারা যেনো সুনিদিষ্টি দিয়ে আমাকে আমার স্বামীর জমি ফিরত পেতে সাহায্য করে, এবং আসামী আমাকে অনেক ভয়ভীতি দেখাচ্ছে অন্যায় ভাবে আমি সহ আমার পরিবার এখন অনেক হুমকির মুখে, আমি যাতে আমার পরিবার নিয়ে সুন্দর ভাবে বাচঁতে পারি এতো টুকু আমার প্রশাসনের কাছে চাওয়া। আর আপনাদের মাধ্যমে সবার কাছ দোয়া চায় আল্লাহ যেনো আমার মানসিক রোগী স্বামীকে নিয়ে বেচেঁ থাকার সুযোগ দেয়,এবং স্বামীর জমি ফিরত দিতে সাহায্য করেন।

Comments Below
  •  
    3
    Shares
  • 3
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ