বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

পালংখালীর চৌখালী পাহাড়ে তাবলীগের ছদ্মবেশী কামালের মাদকের আস্তানাঃ অভিযান জরুরী

  • সময় রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

ফলোআপ

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

উখিয়ার পালংখালীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মাদক কারবারী তৈরী হচ্ছে নিত্যনতুন সেন্ডিকেট। আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে মাদক কারবারীদের দৌরাত্ম কমে যাওয়ার বদৌলতে নিত্য নতুন কৌশল বদলিয়ে বাড়ছে দিনদিন। পালংখালী ইউনিয়নকে মাদক মুক্ত করতে আইনশৃংখলা বাহিনীকে আরো অভিযান জোরদার করার দাবী জানিয়েছেন এলাকার সুশিল সমাজ।

পালংখালী ইউনিয়নের মৃত ফজল করিমের পুত্র কামাল হোসন তাবলীগের ছদ্মবেশে মাদক কারবার করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। লোক দেখানো  মুরগী ব্যবসার আড়ালে কামাল হোসন একজন ইয়াবার গড ফাদার বলে জানান অনেকে। অভিযোগ মতে, পালংখালীর পশ্চিম দিকে চৌখালী ইয়াবা মামলার পালাতক আসামীদের আশ্রয় স্থল। টেকনাফ থেকেও অনেক ইয়াবা কারবারী ঐ এলাকায় স্থান নিয়েছে বলে জানান। কামাল হোসন ঐ এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে হয়ে গেছে মাদক সম্রাজ্যের অধিপতি।

এলাকাবাসীর মতে, পালংখালী বাজারে মুরগীর ব্যবসা করে স্বাভাবিক জীবন চলছিল কামালের। কিন্তু ভাগ্য দোষে কামালের একছেলে অবৈধ ভাবে মালয়েশিয়া গমন করলে সে বেশী থাকতে পারেনি। কামাল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া থেকে আনতে সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে পালংখালীর চৌখালী পাহাড়ে বসতি গড়ে। ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে কামালের। চৌখালী পাহাড়ে গড়ে উটা মাদক সম্রাজ্যের একছত্র অধিপতি এখন কামাল। তার  নেতৃত্বে গড়ে  উঠে বিশাল সেন্ডিকেট। বেশ নেয় তাবলীগের। মাথায় টুপি গায়ে সাধা পাঞ্জাবী পড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে ইয়াবা। চৌখালী পাহাড়ের  ডন কামাল পালংখালী বাজারে ইয়াকুব মার্কটে বিলাসবহুল দোকান দিয়ে বসে সকল ব্যবসার লেনদেন করে।

আরো জানাযায়, কামালে ঘরে সিলেটি এক মহিলার  আনাগোনা আছে প্রতিনিয়ত। সে মহিলা একজন ইয়াবা পাচারকারী । কামাল মহিলাটিকে ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার করে বলে জানান এলাকাবাসী। তবে কামাল হোসেন জানান, মহিলাটি তার বোনের জামাই মোঃ আমিনের বাড়িতে আসে। মোঃ আমিনও একজন ইয়াবা কারবারী। চৌখালী পাহাড়ে অভিযান করে মাদকের আস্তানা ভেঙ্গে দেওয়ার দাবী উঠেছে পালংখালী ইউনিয়নের সুশিল সমাজে।   এই বিষয়ে উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল মনসুর বলেন ইয়াবার লেনদেন কারি যে হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ