বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

উখিয়ায় চাকবৈটা গ্রামে প্রতি রাত বসে মাদকের হাটঃ পুলিশের অভিযান জরুরী

  • সময় শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে
  • 17
  •  
  •  
  •  
    17
    Shares

ফলোআপ

করইবনিয়ার আলী আহাম্মদের পুত্র নুরুল আমিন, চাকবৈটা গ্রামের আব্দু ছালামের পুত্র হারুন, আবুল হোসেনের পুত্র সাদ্দাম, ছৈয়দ কাশেমের পুত্র জাহাঙ্গীর, মোজাহের মিয়ার পুত্র সিরাজ, আজিজুর রহমানের পুত্র মঞ্জুর, ছৈয়দ আলমের পুত্র মাহমুদুল হক, রশিদ আহমদের পুত্র ইউনুছ, আমির হামজা ফকিরের পুত্র আব্দুল কাদের, আবুল খায়েরের পুত্র বদিউল আলম

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব চাকবৈঠা করইবনিয়া গ্রামে প্রতিনিয়ত চলছে মাদক পাচার, মাদক সেবন, মাদক চিনতাই সহ মদ জোয়ার আসর। নিত্য নতুন তৈরী হচেছ সেন্ডিকেট। একাধিক সেন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তারে রাতের পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে। এলাকায় বিরাজ করে আতংক। এমন  অভিযোগ এলাকাবাসীর। পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখনো থামেনি মাদক কারবারীদের দৌরাত্ম। পুলিশের ভুমিকা নিয়ে আস্তা হারিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।

অভিযোগের সুত্রমতে, করইবনিয়ার আলী আহাম্মদের পুত্র নুরুল আমিন, চাকবৈটা গ্রামের আব্দু ছালামের পুত্র হারুন, আবুল হোসেনের পুত্র সাদ্দাম, ছৈয়দ কাশেমের পুত্র জাহাঙ্গীর, মোজাহের মিয়ার পুত্র সিরাজ, আজিজুর রহমানের পুত্র মঞ্জুর, ছৈয়দ আলমের পুত্র মাহমুদুল হক, রশিদ আহমদের পুত্র ইউনুছ, আমির হামজা ফকিরের পুত্র আব্দুল কাদের, আবুল খায়েরের পুত্র বদিউল আলম । তারাই মুলত সমাজ বিধংসী মাদক কারবার ও পরিবেশনে চাকবৈটা গ্রামের যুব সমাজকে প্রায় ধ্বংসের পথে নিয়ে ঠেলে দিয়ে পরিবেশকে অশান্ত করে রেখেছে। উখিয়ার চাকবৈটা গ্রামকে মাদকের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

ঘটনার সুত্রমতে, করইবনিয়ার আলী আহাম্মদের পুত্র নুরুল আমিন, চাকবৈটা গ্রামের ছৈয়দ আলমের পুত্র মাহমুদুল হককে ১ কার্ড(১০ হাজার) ইয়াবা বিক্রি করে। বেলাল গ্রুফের সদস্যরা বিষয়টা জানতে পারলে চাকবৈটা গ্রামের আব্দু ছালামের পুত্র হারুন, আবুল হোসেনের পুত্র সাদ্দাম,ছৈয়দ কাশেমের পুত্র জাহাঙ্গীর, মোজাহের মিয়ার পুত্র সিরাজ, আজিজুর রহমানের পুত্র মঞ্জুর আলম মিলে মাহমুদুল হকের কাছ থেকে ১০ হাজার ইয়াবা ছিনিয়ে নেয়। পুলিশ গোফন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে গেলে ১৯০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বলে জানাযায়।

রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব চাকবৈঠা করইবনিয়া গ্রামে প্রতিনিয়ত মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ উটেছে। নুরুল ইসলামের বাড়ীতে রাতের বেলায় এই মাদকের আসর বসে বলে জানান এলাকাবাসী।

মুল হোতা হিসেবে মাদক পাচারের প্রধান ভুমিকা পালন করে নুরুল ইসলাম। নুরুল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে বলে ধারনা এলাকাবাসীর।  এই বিষয়ে উখিয়া থানা সুত্রে জানাযায়, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদক কারবারের সাথে জড়িত কেউ রেহাই পাবেনা।

Comments Below
  •  
    17
    Shares
  • 17
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ